সবচেয়ে কার্যকরী উপায় তৈরি করুন একটি ডুফলো ব্যাকলিংক

ব্যাকলিংক তৈরী

সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবসাইট থেকে খুব বেশি পরিমাণে রেংক পাওয়ার জন্য ব্যাকলিংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ব্যাকলিংক সবচেয়ে স্ট্রঙ্গেস্ট এসইও …

Read more

ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি কি? কিভাবে বৃদ্ধি করবেন?

ওয়েবসাইটের ডোমেইন অথরিটি

আপনার ওয়েবসাইটের সার্চ ইঞ্জিন রেংকিং বৃদ্ধি করার জন্য যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেটি হল ওয়েব সাইটের …

Read more

ওয়েবসাইট থেকে কনটেন্ট চুরি বন্ধ করুন এই দুটি উপায়ে

কনটেন্ট চুরি

আমাদের মধ্যে এরকম অনেকেরই পপুলার ব্লগার ওয়েবসাইট রয়েছে সমস্ত সাইটগুলোতে কনটেন্ট চুরি হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। অর্থাৎ দেখা যায় যে, …

Read more

সবচেয়ে লাভজনক কিছু ব্লগ টপিক যা নিয়ে লেখা উচিত |

ব্লগ টপিক

আপনি যদি ব্লগিং করার চিন্তাভাবনা করে থাকেন তাহলে ব্লগিং করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত ব্লগ টপিক সবচেয়ে বেশি লাভজনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেই সমস্ত ব্লগ টপিক খুজে বের করা প্রয়োজন।

কারণ আপনি যদি ব্লগিং করার ক্ষেত্রে এই সমস্ত ব্লগ টপিক নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে আলোচনা করেন, তাহলে খুব কম সময় আপনি সার্চ ইঞ্জিনের রেঙ্ক করতে পারবেন এবং আয় করতে পারবেন।

এছাড়াও এ সমস্ত টপিকগুলোর সিপিসি এর পরিমাণ খুব বেশি হওয়ার কারণে যতজনই ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসবে, তারা আপনাকে খুব বেশি পরিমাণে আয় করাতে সহায়তা করবে।

কি সেই লাভজনক ব্লগ টপিক? আপনি যদি সমস্ত লাভজনক ব্লগ টপিক সম্পর্কে জেনে নিতে চান, তাহলে এই আর্টিকেলটি একদম শেষ পর্যন্ত দেখুন।

Job and Career

নতুন একটি ব্লগের ওয়েবসাইট তৈরি করার পরে আপনি যদি এই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন রকমের জব এবং ক্যারিয়ার সংক্রান্ত আর্টিকেল পাবলিশ করেন, তাহলে খুব বেশি পরিমাণে ভিজিটর পাবেন।

এছাড়াও এসমস্ত ওয়েবসাইটগুলোতে কম্পিটিশন এর পরিমাণ খুব কম থাকে এবং যে কেউ চাইলে খুব সহজেই যে কোন টপিক নিয়ে রেংক করার মতো ক্ষমতা অর্জন করতে পারে।

আরেকটি বিষয় হলো জব এবং ক্যারিয়ার নিয়ে কোন একটি আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে আপনার তেমন একটা যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না অর্থাৎ তেমন একটা না জানলেও সহজেই একটি আর্টিকেল মেনটেন করা যায়।

জব এবং ক্যারিয়ার নিয়ে একটি আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে আপনি নিউজপেপার ফলো করতে পারেন, এছাড়াও বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল এর দিকে নজর দিতে পারেন।

Health and fitness

আপনি কি জানেন শতকরা প্রায় 50 শতাংশ মানুষ প্রতিদিনই গুগলে সার্চ করেন তাদের হেলথ এবং ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য? অর্থাৎ তারা গুগল থেকে হেলথ এবং ফিটনেস সংক্রান্ত তথ্য জেনে নিতে চান।

এবার আপনি যদি আপনার নিজস্ব ভাষায় হেলথ এবং ফিটনেস নিয়ে কোনো একটি ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলেন, তাহলে এই সমস্ত ট্রাফিক গুলো আপনার ওয়েবসাইটে যে আসবে না এর সত্যতা কতটুকু?

এছাড়াও এ সমস্ত হেলথ এবং ফিটনেস নিয়ে যে সমস্ত টপিকগুলো জেনারেট হয় সেই সমস্ত টপিকগুলোর কম্পিটিশন খুব বেশি একটা লক্ষনীয় নয়; যার কারণে আপনি এই সমস্ত টপিক নিয়ে সহজেই রেংক করতে পারেন।

আর আপনি যদি ব্লগিং থেকে লাভজনক কোন কিছু আশা করতে চান, তাহলে অবশ্যই এবং ফিটনেস নিয়ে একটি ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করার চিন্তাভাবনা করবেন; তবে হেলথ এবং ফিটনেস নিয়ে কন্টেন্ট লেখার ক্ষেত্রে খুব বেশি পরিমাণে জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

Food and recipe

আপনি যদি ফুড এবং রেসিপি নিয়ে একটি ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করেন, তাহলে এই ব্লগ ওয়েবসাইট থেকে খুব বেশি পরিমানে আয় করার সম্ভাবনা থাকে।

ফুড এবং রেসিপি রিলেটেড একটি ব্লগ সাইট তৈরি করার মাধ্যমে আপনি চাইলে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ফুড এবং রেসিপি রিভিউ করতে পারেন এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

এছাড়াও আপনি চাইলে শুধুমাত্র বিভিন্ন খাদ্য তালিকার রিভিউ করতে পারেন এবং এই সমস্ত খাবার গুলো যেকোনো অডিয়েন্সের কি কি উপকারে আসবে? সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন।

ফুড এবং রেসিপি ওয়েবসাইট এর কম্পিটিশন খুবই কম হয়ে থাকে। যার কারণে আপনি এই ওয়েবসাইটের জন্য ভালো কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করে আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে বেশি পরিমাণে ভিজিটর পেতে পারেন।

রিভিউ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট

আপনি যদি বিভিন্ন পপুলার কোম্পানির রিভিউ দেয়ার মতো একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলেন, তাহলে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব বেশি পরিমাণে টাকা আয় করতে পারবেন।

তবে রিভিউ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট গুলো তৈরি করার পূর্বে আপনাকে যেকোন একটি টপিক নির্বাচন করে নেয়া উচিত। অর্থাৎ আপনি কি রকম কোম্পানির রিভিউ আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করবেন।

আপনি যদি আপনার রিভিউ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট এ ডোমেইন এবং হোস্টিং কোম্পানির রিভিউ দিয়ে থাকেন, তাহলে এই ওয়েবসাইটে অন্য কোন কোম্পানি সংক্রান্ত রিভিউ করতে যাবেন না।

ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রোভাইডার কোম্পানি রিভিউ যদি আপনি দিয়ে থাকেন তাহলে শুধুমাত্র ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রোভাইডার কোম্পানি রিভিউ দিবেন এবং একটি ডোমেইন নাম নির্বাচন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ডোমেইন হোস্টিং রিভিউ রিলেটেড নিয়ে নিবেন।

ঠিক একই রকমভাবে আপনি যদি অন্যান্য কোন ওয়েবসাইটের রিভিউ দিয়ে থাকেন, তাহলে সবসময় চেষ্টা করবেন যে ওয়েবসাইটে রিভিউ দিচ্ছেন শুধুমাত্র সেই রিলেটেড ওয়েবসাইট রিভিউ দেয়ার।

মোটিভেশন রিলেটেড ওয়েবসাইট

আপনি যদি বিভিন্ন রকমের অনুপ্রেরণামূলক আর্টিকেল লিখতে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন, তাহলে মোটিভেশন রিলেটেড একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

আপনার তৈরীকৃত মোটিভেশন রিলিটেড ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র আপনি সফলতার গল্প শেয়ার করবেন। এছাড়াও ব্যর্থতার গল্প শেয়ার করার মাধ্যমে অন্যকে ইন্সপায়ার্ড করবেন।

ইন্টারনেটের জগতে মোটিভেশন ডিলিটেড ওয়েবসাইটে সংখ্যা খুবই স্বল্প যার কারণে আপনি বিভিন্ন ট্রেন্ডিং টপিক নিয়ে আলোচনা করার মাধ্যমে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে টেনে আনতে পারবেন।

আর মটিভেশন রিলেটেড ওয়েবসাইটে সিপিসি এর পরিমান তুলনামূলক খুব বেশি থাকে এবং কম্পিটিশন এর পরিমাণ খুব বেশি একটা লক্ষণীয় হয়না। যার কারণে এই টপিক একটি লাভজনক টপিক।

ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট কি? এটি কি রেঙ্কিয়ের জন্য ক্ষতিকর?

ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট

আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট আসলে কি? ওয়েবসাইটে রেংকিং এর ক্ষেত্রে বাউন্স রেট কিরকম প্রভাব ফেলতে পারে? সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে।

এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং এই বাউন্স রেট কিভাবে মেনটেন্স হয় বা রেংকিংয়ের ক্ষেত্রে কি রকম প্রভাব ফেলে সেই সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট কি?

উদাহরণস্বরূপ যে কেউ গুগলে “এসইও” সার্চ লিখে সার্চ করলো এবং আপনার ওয়েবসাইটটি গুগল সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পজিশনে রয়েছে; সার্চ করার পরে যে কেউ আপনার সার্চ রেজাল্ট এর উপরে ক্লিক করল।

আপনার ওয়েবসাইটের সার্চ রেজাল্ট এর উপরে ক্লিক করার পরে ওই ব্যক্তিটি কয়েক সেকেন্ড আপনার ওয়েবসাইটে থাকার পরে ব্যাক বাটন এ ক্লিক করে ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে গেল।

এবং তার পরে পুনরায় আপনার যে কম্পিটিটর রয়েছে যার অবস্থান বর্তমানে সার্চ রেজাল্টের দ্বিতীয় পজিশনে তার ওয়েবসাইট এর উপরে ক্লিক করো এবং ওয়েবসাইটে খুব বেশি সময় ধরে থাকলো।

এই কাজটি যদি খুব বেশি পরিমাণে হয়ে যায়, যে এরকম অনেকে আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে এসে প্রবেশ করল কিন্তু ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে গেল তাহলেই আপনার সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি পায়।

আর যখনই আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি পেয়ে যায়, তখনই গুগোল এটা মনে করে যে কেউ আপনার ওয়েবসাইটে এরকম কিছু খুজে পাচ্ছেনা যা তার পাওয়া প্রয়োজনীয়।

আর গুগল যেহেতু ইউজার সিগন্যাল ব্যবহার করে তাই ওই সময়ে গুগোল আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং পজিশন ড্রপ করে দেয়। ফলস্বরূপ, আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে রেংকিং হারিয়ে ফেলেন।

আর ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট আসলে কি রকম হবে সেটা পরিপূর্ণ আপনার ওয়েবসাইটের উপরই নির্ভর করে; বাউন্স রেট বৃদ্ধি পেয়ে গেলে আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং ড্রপ হতে থাকে।

বাউন্স রেট আসলে কি? এই সম্পর্কে জেনে নেয়ার পরে এবার জেনে নিন কিভাবে আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট কমিয়ে ফেলবেন যাতে করে আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং কোনভাবে ড্রপ হবে না।

ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট

যখন একটি আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখন চেষ্টা করুন এই আর্টিকেলটি আপনার ভিজিটর এর জন্য পাবলিশ করার অর্থাৎ এই আর্টিকেলটি কোন রকমে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য পাবলিশ করবেন না।

অনেকেই আছেন যারা শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিনের কথা চিন্তা করেই আর্টিকেল পাবলিশ করে এখানে ভিজিটরের কথা কোনোভাবেই চিন্তাভাবনা করে না।

অর্থাৎ আপনি একটি আর্টিকেল পাবলিশ করলেন কিন্তু এই আর্টিকেলটি কে শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিনের উপযোগী করে তুললেন কিন্তু ভিজিটরের জন্য ইউজার ফ্রেন্ডলি করে তুললেন না।

আর আপনি যখনই এরকম একটি আর্টিকেল আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করবেন তখন আপাতদৃষ্টিতে আপনার আর্টিকেলে রেংকিং বৃদ্ধি পেলেও সময়ের সাথে সাথে ড্রপ এর আশঙ্কা বৃদ্ধি হতে থাকে।

আর তাই সব সময় চেষ্টা করবেন একটি আর্টিকেল পাবলিশ করার ক্ষেত্রে ইউজার ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল পাবলিশ করার যাতে করে যে কেউ এই আর্টিকেলটি পড়তে চায়।

ছোট প্যারাগ্রাফ

আপনার পাবলিশ করে আর্টিকেল এর প্যারাগ্রাফ যদি আট থেকে দশ লাইনের প্যারাগ্রাফ হয়ে থাকে, তাহলে এই আর্টিকেলটি কেউই পরতে চাইবে না। এই এই আর্টিকেলটি যে কারও জন্যই বিরক্তিকর হয়ে যায়।

আর যখনই আপনার আর্টিকেল যে কারো জন্য বিরক্তিকর হয়ে যাবে তখনি আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি পাবে এটা খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যপার।

আর আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট যাতে বৃদ্ধি না পায়, সেজন্য যখন একটি আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখন এই আর্টিকেলের প্যারাগ্রাফ ল্যান্থ কমিয়ে আনবেন৷ চেষ্টা করবেন 2-3 লাইনের মধ্যে প্যারাগ্রাফ শেষ করে দেয়ার।

আর যখনই আপনি এরকম ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ সমন্বয়ে একটি আর্টিকেল গড়ে তুলবেন তখন এই আর্টিকেলটি পুরোপুরি ইউজার ফ্রেন্ডলি হয়ে যাবে এবং যে কেউই আর্টিকেল একদম শেষ পর্যন্ত পড়তে চাইবে।

হেডার ইমেজ

অনেকেই আছেন যারা একটি আর্টিকেল পাবলিশ করার ক্ষেত্রে একদম হেডার সেকশনে যে ইমেজ দিয়ে থাকেন, সেই ইমেজের সাইজ অনেক বেশি বড় দিয়ে দেন।

যাতে করে যখনই কোন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করে তখনই স্ক্রোলিং করতে করতেই তার পুরো সময় চলে যায়। যাতে করে যে কেউ বিরক্ত হতে পারে।

আর আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা কনটেন্টের হেডার ইমেজ খুব বেশি বড় করে দেন, তাহলে এটি আপনার অর্গানিক ভিজিটরের উপর আঘাত হানবে এবং ডিজিটাল ড্রপ হবে।

লোডিং স্পীড

আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি হওয়ার সবচেয়ে প্রধান কারণ হলো আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিডের সময়; অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড যদি খুব কম হয়ে থাকে তাহলে আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি পাবে।

আর আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড যদি খুব বেশি হয়ে থাকে তাহলে বাউন্স রেট বৃদ্ধি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। তাই চেষ্টা করবেন ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড বৃদ্ধি করার।

ওয়েবসাইটে লোডিং স্পীড বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে সবসময় আপনার আর্টিকেল এর মধ্যে ব্যবহৃত ইমেজগুলো কম্প্রেস করে নিবেন, এবং খুব বেশি পরিমাণে পপআপ উইন্ডো ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন।

এছাড়াও আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মে হয়ে থাকেন, তাহলে বিভিন্ন রকমের ক্যাশ প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। যে সমস্ত প্লাগিনগুলো আপনার সাইটের লোডিং স্পীড বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

সিম্পল ব্লগ ডিজাইন

সব সময় চেষ্টা করুন আপনার ওয়েব সাইটে যে ডিজাইন রয়েছে সেই ডিজাইনটিকে একেবারে সিম্পল ভাবে আপনার অডিয়েন্সের সামনে তুলে ধরার।

ওয়েবসাইটের ডিজাইন আপনি যখন ডায়নামিক করতে চাইবেন, তখনি আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড একেবারেই কমে যাবে এবং লোডিং স্পীড কমে গেলেই বাউন্স রেট বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে যে সমস্ত অ্যাডভার্টাইজমেন্ট গুলো রয়েছে সে সমস্ত অ্যাডভার্টাইজমেন্ট লিমিট কমিয়ে আনতে পারেন। কারণ বেশি অ্যাডভার্টাইজমেন্ট যে কারো বিরক্তির কারণ।

ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিষয়ের উপর আলোচনা করা হল যেগুলো আপনি যদি মনে রাখেন, তাহলে আপনার সাইটের বাউন্স রেট অবশ্যই কমে যাবে।

error: Content is protected !!