ওয়েবসাইট থেকে কনটেন্ট চুরি বন্ধ করুন এই দুটি উপায়ে

কনটেন্ট চুরি

আমাদের মধ্যে এরকম অনেকেরই পপুলার ব্লগার ওয়েবসাইট রয়েছে সমস্ত সাইটগুলোতে কনটেন্ট চুরি হওয়ার মতো ঘটনা ঘটে। অর্থাৎ দেখা …

Read more

ব্লগিং ক্যারিয়ারে সফল হওয়ার জন্য যে কাজগুলো করবেন

ব্লগিং ক্যারিয়ার

আপনি যদি ইতিমধ্যে একটি ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলেন, তাহলে এই ব্লগার ওয়েবসাইট থেকে সফলতা পাওয়ার জন্য যে বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখা দরকার সেগুলো সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেলে আলোচনা করা হবে।

এই আর্টিকেলের মধ্যে বর্ণনাকৃত বিষয়গুলো দিকে আমরা নজর রাখি না দেখেই ব্লগিং করার ক্ষেত্রে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়ে যায় অর্থাৎ সফলতার কোন দ্বারপ্রান্তে আমরা পৌঁছাতে পারি না।

কি সেই সমস্ত বিষয়ে গুলো? যে বিষয়গুলো একজন ব্লগার হিসেবে আপনাকে অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হয়, যদি আপনি ব্লগিং ক্যারিয়ারে সফলতা অর্জন করতে চান।

আপনার কাজে রেগুলারলি আপডেট থাকা

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ব্লগিং করেন কিন্তু রেগুলারলি এই ব্লগিংকে বেছে নেন না অর্থাৎ প্রতিনিয়তই তারা ব্লগিং ক্যারিয়ারের পিছনে সময় গুলো ব্যয় করেন না।

ব্যাপারটা এরকম যে আপনি ব্লগিং কে পেশা হিসেবে বেছে বেছে নিয়েছেন কিন্তু ব্লগিং করার ক্ষেত্রে আপনার অনিয়মিত ভাব চলে এসেছে।

অর্থাৎ রেগুলারলি আপনি কোন আপনার ব্লগার ওয়েবসাইটে কোন রকমের আর্টিকেল পাবলিশ করছেন না, আর্টিকেল পাবলিশ করলেও সেই আর্টিকেল আপনি সপ্তাহে একবার কিংবা দুইবার পাবলিশ করছেন।

আর আপনি যদি ব্লগিং করার ক্ষেত্রে এরকম অনিয়মিত ভাব-ভঙ্গি করেন তাহলে ব্লগিং ক্যারিয়ারের আপনি সফলতা অর্জন করতে পারবেন না; এক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই রেগুলারলি কনটেন্ট আপডেট দিতে হবে।

এছাড়াও প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন কাজে ব্লগিং এর সাথে সম্পৃক্ত হতে হবে এবং ব্লগিং করাকে যেহেতু আপনি পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন তাই নিয়মিত নতুন কোন বিষয় খুঁজে বের করতে হবে এবং এই বিষয়গুলো ইম্প্রুভ করতে হবে।

তথ্যবহুল কনটেন্ট এবং ট্রেন্ডিং টপিক

আপনি যদি ব্লগিং করেন তাহলে অবশ্যই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে যে সমস্ত আর্টিকেলগুলো পাবলিশ করবেন সেই সমস্ত আর্টিকেল গুলোর টপিক হিসাবে ট্রেন্ডিং টপিক বেচে নিবেন।

আপনার ওয়েবসাইটের ট্রেন্ডিং টপিক নিয়ে আলোচনা করা হলে ওয়েবসাইটের ভিজিটর খুব বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও একেবারে কম কম্পিটিশন এর মধ্যে আপনি খুব বেশি পরিমানে আয় করতে পারবেন।

যখনই আপনার ওয়েবসাইটে কোন আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখন চেষ্টা করবেন আর্টিকেলটি খুব বেশি পরিমাণে তথ্যবহুল করার এবং এখানে সমস্ত বিষয় গুলোকে পর্যালোচনা করার।

আপনি যখন একটি ট্রেন্ডিং টপিক নিয়ে তথ্যবহুল আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখনই আপনি আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর এর পরিমাণ বৃদ্ধি হতে দেখবেন।

আর যখনই আপনার সাইটের ভিজিটর এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে তখন আপনি ব্লগিং ক্যারিয়ারে সফল।

ধৈর্য ধারণ করা

ব্লগিং করার ক্ষেত্রে এরকম অনেক সময় আসতে পারে যে সময়গুলোকে তাই আপনাকে অবশ্যই ধৈর্য ধারণ করতে হবে।

যেমন আপনি ওয়েবসাইটে গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল নিয়ে নিলেন, কিন্তু কোনো কারণবশত গুগল এডসেন্স আপনার ওয়েবসাইট থেকে এড লিমিট করে দিল এবং এই ওয়েবসাইট থেকে ওই সময়ে আপনার আর কোনরকমে আর্নিং হলো না।

যখন আপনার ওয়েবসাইট থেকে কোন রকমে আর্নিং হচ্ছে না তখন আপনি যদি হতাশ হয়ে ওয়েবসাইটে কাজ করা বন্ধ করে দেন বা রেগুলারলি কনটেন্ট আপডেট দেয়া বন্ধ করে দেন তাহলে আপনি সফল হতে পারবেন না।

এক্ষেত্রে যতই দুঃখ আসুক না কেন সব সময় চেষ্টা করবেন ব্লগটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। কখনো হতাশ হবেন না, সব সময় ধৈর্য ধারণ করার চেষ্টা করবেন।

কারণ গুগল এডসেন্স সাধারণত আপনার ওয়েবসাইটে ট্রাফিকের সংখ্যা কম এবং ক্লিকে সংখ্যা বেশি হলে এড লিমিট করে দেয় এবং যখন আপনার ওয়েবসাইটে এডলিমিট হয়ে যায় তখন যদি আপনি কন্টেন্ট আপডেট দেন তাহলে এটি সহজেই চলে যায়।

এবার আপনি যদি ধৈর্য ধারণ না করে ব্লগ ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করা বন্ধ করে দেন এবং এই সাইটের দিকে কোনো রকমের নজর না দেন, তাহলে এই ভুলটি আপনাকে ব্লগিং থেকে বিমুখ করে দিতে পারে।

খারাপ মন্তব্য এড়িয়ে চলা

এরকম কোন সফল ব্লগার আপনি ইন্টারনেটের জগতে খুজে পাবে না যারা ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করার পূর্বে কোন না কোন খারাপ অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়নি।

অর্থাৎ দেখা গেছে যে যখন তারা ব্লগিং শুরু করেছে তখনই হয়তো ফ্যামিলি থেকে কিংবা আশেপাশের লোকজনের থেকে নানা রকমের কটু কথা শুনতে হয়েছে, যে সমস্ত কথাগুলো খুবই হার্ট টাচিং হয়ে থাকে।

আর অনেকেই আছেন যারা এ সমস্ত কথাগুলো শোনার পরবর্তী সময়ে ব্লগিং-এর চিন্তাটা মাথা থেকে সরিয়ে দেন; আর আপনিও যদি নতুন ব্লগার হয়ে থাকেন তাহলে এই বিষয়ে সম্মুখীন হতে পারেন।

অনেকেই আপনাকে এরকম বুদ্ধি দিতে পারে যে ব্লগিং তেমন একটা লাভজনক পেশা নয়, তুমি এই ব্যবসাটি থেকে সরে আসা এবং অন্য কোন কিছু করো; আপনি যদি ওই ব্যক্তির কথাতে মনোযোগ দিয়ে দেন তাহলে আপনার ব্লগিং এর সফলতা কখনোই আসবেনা।

এক্ষেত্রে যতই বিরূপ মন্তব্য আসুক না কেন এই সমস্ত মন্তব্য গুলো এড়িয়ে চলে আপনার কাজে মনোযোগ দিতে হবে, তাহলেই দেখবেন কোন একদিন আপনি ব্লগিং ক্যারিয়ারে অনেক বেশি সফল হয়ে গেছেন এবং যারা আপনাকে এই সমস্ত মন্তব্য করেছিল তারা আজকে ব্যর্থ।

সবসময় কাজের দিকে নজর দেয়া

আচ্ছা আমরা ব্লগিং ক্যারিয়ার কেন শুরু করব? নিশ্চয়ই ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করার একটাই কারণ সেটা হল ব্লগিং ক্যারিয়ারকে আমরা প্রচুর পরিমাণে টাকা আয় করব।

আর আপনিও যদি ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করেন টাকা আয় করার জন্য তাহলে আপনার জন্য একটি ছোট নির্দেশনা রয়েছে; এই নির্দেশনা আপনার পরবর্তী সময়ে কাজে আসবে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ব্লগিংয়ের সবেমাত্র চলে আসার পরেই টাকা আয় করতে চান অর্থাৎ ব্লগিং ওয়েবসাইট শুরু করার পরেই তারা টাকা আয় করতে চান। এটা কি আসলেই ঠিক?

যে বা যারা ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করেন শুধুমাত্র টাকা আয় করার জন্য তারা কোনদিনই সফল হতে পারেন না; এর মানে এটা মোটেও নয় যে আপনি ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করার পরে টাকা আয় করার চিন্তাটা মাথা থেকে সরিয়ে ফেলবেন।

ব্যাপারটা এরকম যে, আপনি যখনই ব্লগিং শুরু করবেন তখনই টাকা আয় করার চিন্তাটা মাথা থেকে সরিয়ে ফেলবেন এবং যখনই ব্লগিং ক্যারিয়ারের সময়সীমা এক বছর অতিক্রম করে ফেলবে তখন আপনি মাথার মধ্যে টাকা আয় করার চিন্তাটা ঢুকে ফেলুন।

এই কথাটি সারমর্ম হল, ব্লগিং ক্যারিয়ার শুরু করার পরে সম্পূর্ণ মনোযোগ আপনার কাজের দিকে দিয়ে দিন। তাহলে যত সময় যাবে কত সময়ের মধ্যে আপনাকে টাকার দিকে নজর দিতে হবে না স্বয়ং টাকা আপনার দিকে নজর দিবে।

আর একজন ব্লগার হিসেবে সফল হওয়ার জন্য যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আপনার পর্যালোচনা করা উচিত সেগুলো সম্পর্কে উপরে আলোচনা করা হলো। আশা করি এগুলো আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারে সহায়তা করবে।

কিছু highest-paid করা এফিলিয়েট মার্কেটিং ওয়েবসাইট |

highest-paid করা এফিলিয়েট মার্কেটিং

আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং করার চিন্তাভাবনা করেন, তাহলে অবশ্যই এফিলিয়েট মার্কেটিং এ যে সমস্ত সাইটগুলো সবচেয়ে বেশি পেইড করে থাকে সে সমস্ত সাইটগুলোর সম্পর্কে জেনে নেয়া ভালো।

অর্থাৎ ইন্টারনেট জগতে এরকম অনেক এফিলিয়েট মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যারা আপনাকে প্রত্যেকটি প্রোডাক্ট বিক্রয় করার পরিবর্তে খুব বেশি পরিমাণে ডলার পাইয়ে দিতে পারে।

এছাড়াও দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য আপনি যদি ভুল প্লাটফর্মে প্রবেশ করেন, তাহলে বিভিন্ন রকমের প্রোডাক্ট বিক্রয় করার পরেও আপনি খুব বেশি পরিমাণে কমিশন পাবেন না।

তাই এফিলিয়েট মার্কেটিং ভালোভাবে শিখে নেয়ার পরে যখন আপনি মনে করবেন এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করা দরকার তখনই এই সমস্ত highest-paid করা প্ল্যাটফর্ম গুলো খুঁজে নিতে পারেন।

এতে করে আপনি প্রত্যেকটি সেল দেয়ার পরিবর্তে প্রচুর অংকের টাকা আয় করতে পারবেন এবং আপনার এফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হতে পারবেন; কি সেই highest-paid করা এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ওয়েবসাইট?

আপনি যদি এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে নিচের দেয়া গাইডলাইন ফলো করুন এবং এই অনুযায়ী আপনার এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করুন।

Envato

Envato হলো এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যে প্ল্যাটফর্মটিতে যেকোনো ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার কিংবা ডিজাইনার তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পেয়ে যায়।

আর আপনি যদি Envato এর এফিলিয়েট প্লাটফর্মে নিজেকে নিযুক্ত করে নেন, তাহলে এসমস্ত পেইড জিনিসপত্রগুলো আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কিংবা অন্য কোন উপায়ে বিক্রি করার মাধ্যমে খুব বেশি পরিমাণে কমিশন পেতে পারেন।

এছাড়াও তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রামের নিজেকে জয়েন করার একটি ভালো কারন হল, ইন্টারনেটের জগতে যে সমস্ত ওয়ার্ডপ্রেস থিম, ব্লগার থিম কিংবা অন্যান্য ডেভেলপিং এর জিনিসগুলো বিক্রি করার ওয়েবসাইট রয়েছে সে সমস্ত সাইটগুলোর মধ্যে থেকে এটি প্রথম স্থানে রয়েছে।

এছাড়াও এ প্লাটফর্ম এ সমস্ত জিনিস গুলোই পুরোপুরি ইউজার ফ্রেন্ডলি এবং যে কেউ এই প্লাটফর্ম থেকে যেকোনো জিনিস ক্রয় করে নিতে কোনো রকমের সংকোচ প্রকাশ করে না।

সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হল, আপনি যদি তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ জয়েন করেন তাহলে প্রত্যেকটি প্রোডাক্ট বিক্রি করার মাধ্যমে 30 শতাংশ বা তার চেয়েও বেশি কমিশন আদায় করে নিতে পারবেন।

Join Envato Affiliate

Bluehost

আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য সর্বাধিক সাপোর্ট এর সহায়তায় ডোমেইন হোস্টিং করতে চান তাহলে Bluehost আপনার জন্য এক অনন্য পার্টনার।

ব্লু হোস্ট এর মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইট কিংবা আপনার ক্লায়েন্টের ওয়েবসাইটে জন্য ডোমেইন অথবা হোস্টিং ক্রয় করতে পারেন। যা আপনি স্বল্প মূল্যে ক্রয় করতে পারেন।

এছাড়াও আপনি যদি ব্লুহোস্ট অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর নিজেকে সংযুক্ত করে নেন, তাহলে এখানে থাকা প্রত্যেকটি হোস্টিং প্রমোট করার মাধ্যমে যে কেউ যখন এটি ক্রয় করে নিবে তখন আপনি 63% কমিশন আদায় করে নিতে পারবেন।

তাদের হোস্টিং প্ল্যান প্রাইস কিছুটা বেশি হলেও বিভিন্ন সময়ে তারা ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে। আর যখনই তারা এই সমস্ত ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে তখন আপনি তাদের এই সমস্ত হোস্টিং প্লান প্রমোট করুন আপনার এফিলিয়েট লিংক এর মাধ্যমে।

আর ডোমেইন-হোষ্টিং কেনার প্লাটফর্ম থেকে আপনি যদি সবচেয়ে বেশি কমিশনের এফিলিয়েট মার্কেটিং প্ল্যাটফর্মের অনুসন্ধান করে থাকেন, তাহলে ব্লুহোস্ট অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ যুক্ত হতে পারেন।

Join Bluehost Affiliate

Surfshark VPN

আপনি যদি ইন্টারনেটে পুরোপুরি সুরক্ষিতভাবে ভিজিট করতে চান যাতে করে আপনার ডাটা গুলো পুরো সুরক্ষিত থাকবে, তাহলে আপনি ভিপিএন ব্যবহার করার মাধ্যমে এ সমস্ত কাজগুলো করতে পারেন।

আর Surfshark VPN হলো একটি পাওয়ারফুল ভিপিএন প্রোভাইডিং প্লাটফর্মে। যে প্ল্যাটফর্ম থেকে আপনি পুরোপুরি স্ট্রঙ্গেস্ট ভিপিএন কালেক্ট করতে পারবেন।

এছাড়াও আপনি চাইলে তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এর সংযুক্ত হতে পারেন এবং তাদের ওয়েবসাইটে মধ্যে যে ভিপিএন গুলো রয়েছে সেগুলো প্রমোট করে কমিশন আদায় করতে পারেন।

আপনি যদি তাদের ওয়েবসাইটের কোন ভিপিএন প্রমোট করেন এবং এই ভিপিএন যদি আপনার এফিলিয়েট লিংকের মাধ্যমে কেউ ক্রয় করে, তাহলে আপনি 40 শতাংশ কমিশন পেতে পারেন।

ভিপিএন প্রোভাইডিং প্ল্যাটফর্ম গুলোর মধ্যে থেকে যে সমস্ত প্ল্যাটফর্ম সবচেয়ে বেশি আফিলিয়েট কমিশন দিয়ে থাকে সেগুলোর মধ্যে থেকে Surfshark VPN সন্তোষজনক একটি স্থানে রয়েছে।

Join Surfshark VPN Affiliate

Wix

আপনি যদি একটি ফ্রী ওয়েবসাইট বিল্ডআপ করতে চান, তাহলে Wix এর মাধ্যমে এই কাজটি খুব সহজে করতে পারেন; Wix হল একটি ওয়েবসাইট বিল্ডার প্ল্যাটফর্ম।

এছাড়াও আপনি যদি তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ জয়েন করেন তাহলে আরো বেশি পরিমাণে টাকা আয় করতে পারবেন, তাদের ওয়েবসাইটকে প্রমোট করার মাধ্যমে।

তাদের এফিলিয়েট প্রোগ্রামিং এর একটি ভালো সুবিধা রয়েছে আর সেটি হল; আপনি যদি তাদের ওয়েবসাইট থেকে একটি মাত্র সেল করতে পারেন তাহলে প্রতিটি প্রডাক্ট প্রমোট করে বিক্রি করার জন্য 100 ডলার আয় করতে পারবেন।

Join Wix Affiliate

উল্লেখিত প্ল্যাটফর্ম গুলোর এফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ আপনি যদি জয়েন হতে চান, তাহলে প্রথমত আপনাকে তাদের আমার দেয়া এফিলিয়েট লিংক এ ক্লিক করে সাইন আপ সম্পন্ন করতে হবে।

এরকম অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে শুধুমাত্র সাইন আপ করার পরেই আপনার এফিলিয়েট প্রোগ্রাম কাজ শুরু করতে দিয়ে দেয়; কিন্তু এরকম অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যারা শুধুমাত্র সাইন আপ করার পরিবর্তে আপনার অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ করে দেয় না।

এক্ষেত্রে আপনি যখনই রিয়াল এবং ভ্যালিড ইনফরমেশন দিয়ে সাইন আপ করবেন এবং আপনার সমস্ত বিষয় গুলো যখন তাদের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলবে তখনই তারা আপনার অ্যাকাউন্ট অ্যাপ্রুভ করে দিবে এবং পরবর্তী সময়ে আপনি তাদের প্রোডাক্ট প্রমোট করতে পারবেন।

আর আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং করার মাধ্যমে খুব বেশি পরিমাণে ডলার আয় করতে চান, তাহলে উপরে উল্লেখিত ওয়েবসাইটগুলোর প্রোডাক্ট অবশ্যই প্রমোট করার ইচ্ছা প্রকাশ করবেন এতে করে আপনি খুব বেশি পরিমাণে কমিশন পাবেন।

সবচেয়ে লাভজনক কিছু ব্লগ টপিক যা নিয়ে লেখা উচিত |

ব্লগ টপিক

আপনি যদি ব্লগিং করার চিন্তাভাবনা করে থাকেন তাহলে ব্লগিং করার ক্ষেত্রে যে সমস্ত ব্লগ টপিক সবচেয়ে বেশি লাভজনক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেই সমস্ত ব্লগ টপিক খুজে বের করা প্রয়োজন।

কারণ আপনি যদি ব্লগিং করার ক্ষেত্রে এই সমস্ত ব্লগ টপিক নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে আলোচনা করেন, তাহলে খুব কম সময় আপনি সার্চ ইঞ্জিনের রেঙ্ক করতে পারবেন এবং আয় করতে পারবেন।

এছাড়াও এ সমস্ত টপিকগুলোর সিপিসি এর পরিমাণ খুব বেশি হওয়ার কারণে যতজনই ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসবে, তারা আপনাকে খুব বেশি পরিমাণে আয় করাতে সহায়তা করবে।

কি সেই লাভজনক ব্লগ টপিক? আপনি যদি সমস্ত লাভজনক ব্লগ টপিক সম্পর্কে জেনে নিতে চান, তাহলে এই আর্টিকেলটি একদম শেষ পর্যন্ত দেখুন।

Job and Career

নতুন একটি ব্লগের ওয়েবসাইট তৈরি করার পরে আপনি যদি এই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন রকমের জব এবং ক্যারিয়ার সংক্রান্ত আর্টিকেল পাবলিশ করেন, তাহলে খুব বেশি পরিমাণে ভিজিটর পাবেন।

এছাড়াও এসমস্ত ওয়েবসাইটগুলোতে কম্পিটিশন এর পরিমাণ খুব কম থাকে এবং যে কেউ চাইলে খুব সহজেই যে কোন টপিক নিয়ে রেংক করার মতো ক্ষমতা অর্জন করতে পারে।

আরেকটি বিষয় হলো জব এবং ক্যারিয়ার নিয়ে কোন একটি আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে আপনার তেমন একটা যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না অর্থাৎ তেমন একটা না জানলেও সহজেই একটি আর্টিকেল মেনটেন করা যায়।

জব এবং ক্যারিয়ার নিয়ে একটি আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে আপনি নিউজপেপার ফলো করতে পারেন, এছাড়াও বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল এর দিকে নজর দিতে পারেন।

Health and fitness

আপনি কি জানেন শতকরা প্রায় 50 শতাংশ মানুষ প্রতিদিনই গুগলে সার্চ করেন তাদের হেলথ এবং ফিটনেস ঠিক রাখার জন্য? অর্থাৎ তারা গুগল থেকে হেলথ এবং ফিটনেস সংক্রান্ত তথ্য জেনে নিতে চান।

এবার আপনি যদি আপনার নিজস্ব ভাষায় হেলথ এবং ফিটনেস নিয়ে কোনো একটি ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলেন, তাহলে এই সমস্ত ট্রাফিক গুলো আপনার ওয়েবসাইটে যে আসবে না এর সত্যতা কতটুকু?

এছাড়াও এ সমস্ত হেলথ এবং ফিটনেস নিয়ে যে সমস্ত টপিকগুলো জেনারেট হয় সেই সমস্ত টপিকগুলোর কম্পিটিশন খুব বেশি একটা লক্ষনীয় নয়; যার কারণে আপনি এই সমস্ত টপিক নিয়ে সহজেই রেংক করতে পারেন।

আর আপনি যদি ব্লগিং থেকে লাভজনক কোন কিছু আশা করতে চান, তাহলে অবশ্যই এবং ফিটনেস নিয়ে একটি ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করার চিন্তাভাবনা করবেন; তবে হেলথ এবং ফিটনেস নিয়ে কন্টেন্ট লেখার ক্ষেত্রে খুব বেশি পরিমাণে জ্ঞান থাকা আবশ্যক।

Food and recipe

আপনি যদি ফুড এবং রেসিপি নিয়ে একটি ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করেন, তাহলে এই ব্লগ ওয়েবসাইট থেকে খুব বেশি পরিমানে আয় করার সম্ভাবনা থাকে।

ফুড এবং রেসিপি রিলেটেড একটি ব্লগ সাইট তৈরি করার মাধ্যমে আপনি চাইলে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের ফুড এবং রেসিপি রিভিউ করতে পারেন এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

এছাড়াও আপনি চাইলে শুধুমাত্র বিভিন্ন খাদ্য তালিকার রিভিউ করতে পারেন এবং এই সমস্ত খাবার গুলো যেকোনো অডিয়েন্সের কি কি উপকারে আসবে? সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন।

ফুড এবং রেসিপি ওয়েবসাইট এর কম্পিটিশন খুবই কম হয়ে থাকে। যার কারণে আপনি এই ওয়েবসাইটের জন্য ভালো কি-ওয়ার্ড রিসার্চ করে আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে বেশি পরিমাণে ভিজিটর পেতে পারেন।

রিভিউ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট

আপনি যদি বিভিন্ন পপুলার কোম্পানির রিভিউ দেয়ার মতো একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেলেন, তাহলে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব বেশি পরিমাণে টাকা আয় করতে পারবেন।

তবে রিভিউ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট গুলো তৈরি করার পূর্বে আপনাকে যেকোন একটি টপিক নির্বাচন করে নেয়া উচিত। অর্থাৎ আপনি কি রকম কোম্পানির রিভিউ আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করবেন।

আপনি যদি আপনার রিভিউ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট এ ডোমেইন এবং হোস্টিং কোম্পানির রিভিউ দিয়ে থাকেন, তাহলে এই ওয়েবসাইটে অন্য কোন কোম্পানি সংক্রান্ত রিভিউ করতে যাবেন না।

ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রোভাইডার কোম্পানি রিভিউ যদি আপনি দিয়ে থাকেন তাহলে শুধুমাত্র ডোমেইন এবং হোস্টিং প্রোভাইডার কোম্পানি রিভিউ দিবেন এবং একটি ডোমেইন নাম নির্বাচন করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ডোমেইন হোস্টিং রিভিউ রিলেটেড নিয়ে নিবেন।

ঠিক একই রকমভাবে আপনি যদি অন্যান্য কোন ওয়েবসাইটের রিভিউ দিয়ে থাকেন, তাহলে সবসময় চেষ্টা করবেন যে ওয়েবসাইটে রিভিউ দিচ্ছেন শুধুমাত্র সেই রিলেটেড ওয়েবসাইট রিভিউ দেয়ার।

মোটিভেশন রিলেটেড ওয়েবসাইট

আপনি যদি বিভিন্ন রকমের অনুপ্রেরণামূলক আর্টিকেল লিখতে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন, তাহলে মোটিভেশন রিলেটেড একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

আপনার তৈরীকৃত মোটিভেশন রিলিটেড ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র আপনি সফলতার গল্প শেয়ার করবেন। এছাড়াও ব্যর্থতার গল্প শেয়ার করার মাধ্যমে অন্যকে ইন্সপায়ার্ড করবেন।

ইন্টারনেটের জগতে মোটিভেশন ডিলিটেড ওয়েবসাইটে সংখ্যা খুবই স্বল্প যার কারণে আপনি বিভিন্ন ট্রেন্ডিং টপিক নিয়ে আলোচনা করার মাধ্যমে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে টেনে আনতে পারবেন।

আর মটিভেশন রিলেটেড ওয়েবসাইটে সিপিসি এর পরিমান তুলনামূলক খুব বেশি থাকে এবং কম্পিটিশন এর পরিমাণ খুব বেশি একটা লক্ষণীয় হয়না। যার কারণে এই টপিক একটি লাভজনক টপিক।

ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট কি? এটি কি রেঙ্কিয়ের জন্য ক্ষতিকর?

ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট

আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট আসলে কি? ওয়েবসাইটে রেংকিং এর ক্ষেত্রে বাউন্স রেট কিরকম প্রভাব ফেলতে পারে? সেই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে।

এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং এই বাউন্স রেট কিভাবে মেনটেন্স হয় বা রেংকিংয়ের ক্ষেত্রে কি রকম প্রভাব ফেলে সেই সম্পর্কেও জানতে পারবেন।

ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট কি?

উদাহরণস্বরূপ যে কেউ গুগলে “এসইও” সার্চ লিখে সার্চ করলো এবং আপনার ওয়েবসাইটটি গুগল সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পজিশনে রয়েছে; সার্চ করার পরে যে কেউ আপনার সার্চ রেজাল্ট এর উপরে ক্লিক করল।

আপনার ওয়েবসাইটের সার্চ রেজাল্ট এর উপরে ক্লিক করার পরে ওই ব্যক্তিটি কয়েক সেকেন্ড আপনার ওয়েবসাইটে থাকার পরে ব্যাক বাটন এ ক্লিক করে ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে গেল।

এবং তার পরে পুনরায় আপনার যে কম্পিটিটর রয়েছে যার অবস্থান বর্তমানে সার্চ রেজাল্টের দ্বিতীয় পজিশনে তার ওয়েবসাইট এর উপরে ক্লিক করো এবং ওয়েবসাইটে খুব বেশি সময় ধরে থাকলো।

এই কাজটি যদি খুব বেশি পরিমাণে হয়ে যায়, যে এরকম অনেকে আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে এসে প্রবেশ করল কিন্তু ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে গেল তাহলেই আপনার সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি পায়।

আর যখনই আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি পেয়ে যায়, তখনই গুগোল এটা মনে করে যে কেউ আপনার ওয়েবসাইটে এরকম কিছু খুজে পাচ্ছেনা যা তার পাওয়া প্রয়োজনীয়।

আর গুগল যেহেতু ইউজার সিগন্যাল ব্যবহার করে তাই ওই সময়ে গুগোল আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং পজিশন ড্রপ করে দেয়। ফলস্বরূপ, আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে রেংকিং হারিয়ে ফেলেন।

আর ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট আসলে কি রকম হবে সেটা পরিপূর্ণ আপনার ওয়েবসাইটের উপরই নির্ভর করে; বাউন্স রেট বৃদ্ধি পেয়ে গেলে আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং ড্রপ হতে থাকে।

বাউন্স রেট আসলে কি? এই সম্পর্কে জেনে নেয়ার পরে এবার জেনে নিন কিভাবে আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট কমিয়ে ফেলবেন যাতে করে আপনার ওয়েবসাইটের রেংকিং কোনভাবে ড্রপ হবে না।

ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট

যখন একটি আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখন চেষ্টা করুন এই আর্টিকেলটি আপনার ভিজিটর এর জন্য পাবলিশ করার অর্থাৎ এই আর্টিকেলটি কোন রকমে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য পাবলিশ করবেন না।

অনেকেই আছেন যারা শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিনের কথা চিন্তা করেই আর্টিকেল পাবলিশ করে এখানে ভিজিটরের কথা কোনোভাবেই চিন্তাভাবনা করে না।

অর্থাৎ আপনি একটি আর্টিকেল পাবলিশ করলেন কিন্তু এই আর্টিকেলটি কে শুধুমাত্র সার্চ ইঞ্জিনের উপযোগী করে তুললেন কিন্তু ভিজিটরের জন্য ইউজার ফ্রেন্ডলি করে তুললেন না।

আর আপনি যখনই এরকম একটি আর্টিকেল আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করবেন তখন আপাতদৃষ্টিতে আপনার আর্টিকেলে রেংকিং বৃদ্ধি পেলেও সময়ের সাথে সাথে ড্রপ এর আশঙ্কা বৃদ্ধি হতে থাকে।

আর তাই সব সময় চেষ্টা করবেন একটি আর্টিকেল পাবলিশ করার ক্ষেত্রে ইউজার ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল পাবলিশ করার যাতে করে যে কেউ এই আর্টিকেলটি পড়তে চায়।

ছোট প্যারাগ্রাফ

আপনার পাবলিশ করে আর্টিকেল এর প্যারাগ্রাফ যদি আট থেকে দশ লাইনের প্যারাগ্রাফ হয়ে থাকে, তাহলে এই আর্টিকেলটি কেউই পরতে চাইবে না। এই এই আর্টিকেলটি যে কারও জন্যই বিরক্তিকর হয়ে যায়।

আর যখনই আপনার আর্টিকেল যে কারো জন্য বিরক্তিকর হয়ে যাবে তখনি আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি পাবে এটা খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যপার।

আর আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট যাতে বৃদ্ধি না পায়, সেজন্য যখন একটি আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখন এই আর্টিকেলের প্যারাগ্রাফ ল্যান্থ কমিয়ে আনবেন৷ চেষ্টা করবেন 2-3 লাইনের মধ্যে প্যারাগ্রাফ শেষ করে দেয়ার।

আর যখনই আপনি এরকম ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ সমন্বয়ে একটি আর্টিকেল গড়ে তুলবেন তখন এই আর্টিকেলটি পুরোপুরি ইউজার ফ্রেন্ডলি হয়ে যাবে এবং যে কেউই আর্টিকেল একদম শেষ পর্যন্ত পড়তে চাইবে।

হেডার ইমেজ

অনেকেই আছেন যারা একটি আর্টিকেল পাবলিশ করার ক্ষেত্রে একদম হেডার সেকশনে যে ইমেজ দিয়ে থাকেন, সেই ইমেজের সাইজ অনেক বেশি বড় দিয়ে দেন।

যাতে করে যখনই কোন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করে তখনই স্ক্রোলিং করতে করতেই তার পুরো সময় চলে যায়। যাতে করে যে কেউ বিরক্ত হতে পারে।

আর আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা কনটেন্টের হেডার ইমেজ খুব বেশি বড় করে দেন, তাহলে এটি আপনার অর্গানিক ভিজিটরের উপর আঘাত হানবে এবং ডিজিটাল ড্রপ হবে।

লোডিং স্পীড

আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি হওয়ার সবচেয়ে প্রধান কারণ হলো আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিডের সময়; অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড যদি খুব কম হয়ে থাকে তাহলে আপনার ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট বৃদ্ধি পাবে।

আর আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড যদি খুব বেশি হয়ে থাকে তাহলে বাউন্স রেট বৃদ্ধি হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। তাই চেষ্টা করবেন ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড বৃদ্ধি করার।

ওয়েবসাইটে লোডিং স্পীড বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে সবসময় আপনার আর্টিকেল এর মধ্যে ব্যবহৃত ইমেজগুলো কম্প্রেস করে নিবেন, এবং খুব বেশি পরিমাণে পপআপ উইন্ডো ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন।

এছাড়াও আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস প্লাটফর্মে হয়ে থাকেন, তাহলে বিভিন্ন রকমের ক্যাশ প্লাগইন ব্যবহার করতে পারেন। যে সমস্ত প্লাগিনগুলো আপনার সাইটের লোডিং স্পীড বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

সিম্পল ব্লগ ডিজাইন

সব সময় চেষ্টা করুন আপনার ওয়েব সাইটে যে ডিজাইন রয়েছে সেই ডিজাইনটিকে একেবারে সিম্পল ভাবে আপনার অডিয়েন্সের সামনে তুলে ধরার।

ওয়েবসাইটের ডিজাইন আপনি যখন ডায়নামিক করতে চাইবেন, তখনি আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড একেবারেই কমে যাবে এবং লোডিং স্পীড কমে গেলেই বাউন্স রেট বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়াও আপনি চাইলে আপনার ওয়েবসাইটের মধ্যে যে সমস্ত অ্যাডভার্টাইজমেন্ট গুলো রয়েছে সে সমস্ত অ্যাডভার্টাইজমেন্ট লিমিট কমিয়ে আনতে পারেন। কারণ বেশি অ্যাডভার্টাইজমেন্ট যে কারো বিরক্তির কারণ।

ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিষয়ের উপর আলোচনা করা হল যেগুলো আপনি যদি মনে রাখেন, তাহলে আপনার সাইটের বাউন্স রেট অবশ্যই কমে যাবে।

মাইক্রো নিস ওয়েবসাইট কি? মাইক্রো নিস সাইট সম্পর্কে পরিপূর্ণ আলোচনা

ব্লগ টপিক

যে বা যারা ব্লগিং এর সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন তারা মাইক্রো নিস ব্লগিং সম্পর্কে কিছুটা হলেও জেনেছেন? মাইক্রো নিস ব্লগিং আসলে কি? মাইক্রো নিস ব্লগিং থেকে আয় করা কি সম্ভব?

এছাড়াও আপনি যদি মাইক্রো নিস ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করেন, তাহলে এই ওয়েবসাইটে কতটি কনটেন্ট আপলোড দিতে হয় এবং ওয়েবসাইট থেকে কত ডলার আয় করা সম্ভব?

মাইক্রো নিস ওয়েবসাইট সংক্রান্ত এই সমস্ত প্রশ্নের জবাব আজকেরে আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনি পেয়ে যাবেন তাই জানতে হলে আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত দেখুন

মাইক্রো নিস ব্লগিং আসলে কি?

মাইক্রো নিস ব্লগিং হল কোন একটি টপিক এর উপরে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে কিছু সংখ্যক কনটেন্ট আপলোড দেয়া; এই টপিকটি হতে পারে আগত কোন একটি বিশেষ দিন।

উদাহরণস্বরূপ আগামী মাসে যদি নতুন বছর শুরু হয়ে থাকে তাহলে আপনি এই নতুন বছর সম্পর্কে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে ফেললেন; এবং আর্টিকেল পাবলিশ করা শুরু করলেন।

এক্ষেত্রে আপনি নতুন বছর সম্পর্কে বিভিন্ন স্ট্যাটাস, এসএমএস কিংবা পিকচার তৈরি করলেন এবং এগুলো আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করলেন।

দেখা গেল যে যখন নতুন বছর চলে আসলো,আর তখন এই সমস্ত টপিক নিয়ে আপনার ওয়েবসাইটে খুব বেশি পরিমাণে ভিজিটর আসা শুরু হলো এবং আপনার আর্নিং এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে গেল।

মূলত মাইক্রো নিস হলো নির্দিষ্ট টপিক এর উপরে একটি ব্লগ সাইট তৈরি করা এবং এতে নির্দিষ্ট পরিমাণ কনটেন্ট আপলোড দেয়া যার, ফলশ্রুতিতে খুব বেশি পরিমাণে ডলার আয় করা।

মাইক্রো নিস ব্লগসাইট কিভাবে তৈরি করে?

মাইক্রো নিস ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে প্রথমত আপনাকে যেকোন একটি নিস সিলেক্ট করে নিতে হয়; বলাবাহুল্য মাইক্রো নিস হলো একটি মাত্র niche নিয়ে আর্টিকেল পাবলিশ করার ব্লগ সাইট।

উদাহরণস্বরূপ আপনি যদি ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সমস্ত সেবা নিয়ে লিখতে চান, তাহলে ডাচ বাংলা ব্যাংক রিলেটেড একটি ডোমেইন ক্রয় করলেন এবং শুধুমাত্র ওই ব্যাংক রিলেটেড কনটেন্ট পাবলিশ করেন।

যেহেতু ব্যাংক রিলেটেড টপিক কোন এক সময় শেষ হয়ে যাবে এবং আপনাকে পরবর্তী সময় আর কোন আর্টিকেল পাবলিশ করতে হবে না তাই এটি একটি মাইক্রো নিস টপিক।

এছাড়াও আপনি চাইলে সামনে আগত কোন একটি বিশেষ দিনকে আপনার মাইক্রো নিস টপিক হিসেবে নির্বাচন করে নিতে পারেন এবং ওই রিলেটেড কনটেন্ট আপডেট দিতে পারেন।

তবে সব সময় একটি বিষয়ে লক্ষ্য রাখবেন আর সেটা হল যখন আপনি কোন একটি নিস সিলেক্ট করবেন তখন শুধুমাত্র জিনিস নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবেন, তাহলে আপনি স্বল্প আর্টিকেলে আপনার মাইক্রো নিস ওয়েবসাইট কমপ্লিট করতে পারবেন।

মাইক্রো নিস সাইটে কতটি আর্টিকেল লিখতে হয়?

একটি মাইক্রো নিস ওয়েবসাইটে খুব বেশি হলে 10-15 টি আর্টিকেল লিখেলেই সমস্ত কাজ সম্পাদন হয়ে যায়। এবং এই দশ পনেরো টি আর্টিকেল ই আপনার আর্নিং-এর পথ সহজ করে দেয়।

এরকম অনেক মাইক্রো নিস ওয়েবসাইট রয়েছে যে সমস্ত ওয়েবসাইটগুলোতে 5-6 টি আর্টিকেল লেখার কোন টপিক খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু এই পাঁচটি আর্টিকেল এ হিউজ পরিমান ওয়েবসাইট ট্রাফিক আনতে সক্ষম।

মাইক্রো নিস ওয়েবসাইট তৈরি করার পরে ওয়েবসাইটে কতটি কনটেন্ট পাবলিশ করবেন, তার পুরোপুরি নির্ভর করে আপনার নিস সিলেকশন এর উপর।

মাইক্রো নিস সাইট থেকে আয় সম্ভব?

একটি মাইক্রো নিস ওয়েবসাইট তৈরি করার পরে যখনই আপনি এই সাইট থেকে পুরোপুরি সেটআপ করে নিবেন তখন এই সাইট থেকে আয় করা সম্ভব?

এছাড়াও আপনি যদি মাইক্রো নিস ওয়েবসাইট থেকে আয় করতে চান তাহলে কি কি উপায়ে আপনি এই ওয়েবসাইট থেকে আয় করতে পারবেন?

তাহলে জেনে রাখুন, একটি মাইক্রো নিস ওয়েবসাইট থেকে আয় করা অবশ্যই সম্ভব এবং আপনি যদি ওয়েব সাইট থেকে আয় করতে চান তাহলে ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে আয় করতে পারেন।

এরকম ওয়েব সাইট থেকে আয় করার প্রধান হাতিয়ার হিসেবে আপনাকে গুগল এডসেন্স কে বেছে নিতে হবে।

আর কোন বিশেষ কারণে আপনি যদি অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল না পান, তাহলে এফিলিয়েট প্রোডাক্ট, শর্টলিঙ্ক কিংবা আরো যে সমস্ত উপায় রয়েছে তার মাধ্যমে আয় করতে পারেন।

মূলত যেভাবেই হোক আপনি মাইক্রো নিস সাইট থেকে বেশি পরিমানে আয় করতে পারেন; আর ইউনিক এবং ভ্যালিড কন্টাক্ট হলে গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল এর মাধ্যমে আয় এর কাজটি আরও বেশি সুগম হয়।

সাইটের আয়ুষ্কাল কত?

আপনি যদি মাইক্রো নিস ওয়েব সাইটে কাজ করেন তাহলে এই সাইটের আয়ুষ্কাল কত দিন হবে? এই ওয়েবসাইটে আপনি কতদিন ধরে কাজ করতে পারবেন এবং এটি কতদিন আপনাকে টাকা আয় করতে দিবে?

মূলত একটি মাইক্রো নিস ওয়েবসাইট আয়ুষ্কাল খুব বেশি হলে 6 মাস হয়ে থাকে। তবে এরকম অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যে সমস্ত সাইটগুলো ১ মাসেই গুটিয়ে যায়।

উদাহরণস্বরূপ; আপনি যদি সামনে আগত ফিফা ওয়ার্ল্ড কাপ নিয়ে কোন একটি মাইক্রো নিস ওয়েবসাইট তৈরি করেন, তাহলে এর লিমিটেশন ততদিনই থাকবে যতদিন না ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপ শেষ হয়ে যায়।

মূলত এর সমস্ত ওয়েবসাইটের আয়ুষ্কাল নির্ধারিত হবে আপনার নিস সিলেকশন এর উপরে; আশাকরি মাইক্রো নিস সম্পর্কে আপনি পুরোপুরি জেনে নিতে পেরেছেন।

একটি ব্লগার ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে আয় করা যায়?

ব্লগার ওয়েব সাইট থেকে আয়

একটি ব্লগার ওয়েবসাইট তৈরি করার পরে আপনি এই ব্লগার ওয়েবসাইট থেকে কিভাবে আয় করতে পারেন এই সংক্রান্ত নানা রকমের প্রশ্ন ঘুরপাক খায় আমাদের মধ্যে।

একটি ব্লগ সাইট তৈরি করার পরে আপনি এই সমস্ত উপায় ব্লগসাইট কে কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারবেন, সে সমস্ত উপায়গুলো মধ্যে থেকে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপায় নিচে আলোচনা করা হবে।

আপনি যদি ব্লগ সাইট তৈরি করে আয় করার চিন্তাভাবনা করে থাকেন তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য প্রযোজ্য; তাহলে আর দেরি না করে এখনই শুরু করা যাক।

গুগল এডসেন্স

ওয়েবসাইট থেকে এড দেখিয়ে আয় করার জন্য যে সমস্ত পারফর্ম বিদ্যমান রয়েছে; সে সমস্ত প্ল্যাটফর্ম গুলোর মধ্যে থেকে প্রথম স্থানে রয়েছে গুগল এডসেন্স।

গুগল এডসেন্স আপনার প্রত্যেকটি ইউনিক কনটেন্টকে ভ্যালু প্রভাইড করে এবং এই সমস্ত কনটেন্ট গুলোতে অ্যাড দেখিয়ে আপনাকে আয় করতে সহায়তা করে।

গুগল এডসেন্স এপ্রুভাল করা খুবই সহজ একটা ব্যাপার। এ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র আপনার ওয়েব সাইটের কনটেন্ট গুলো কে সবচেয়ে বেশি মূল্যায়ন করতে হবে এবং ইউনিক ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।

আপনি যখনই আপনার ওয়েবসাইটে ইউনিট এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট তৈরি করে নিবেন; তখন আপনি গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল এর জন্য আবেদন করতে পারেন। সবকিছু ঠিক থাকলে গুগল এডসেন্স আপনার ওয়েবসাইটে অনুমোদন করে দিবে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং

আপনার যদি নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট থাকে তাহলে আপনি এই ওয়েবসাইটের যে সমস্ত ভিজিটর রয়েছে সে সমস্ত ভিজিটরকে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজে লাগাতে পারেন।

অর্থাৎ বিভিন্ন কোম্পানির প্রোডাক্ট কে এফিলিয়েট লিংক এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে প্রচার করতে পারেন; যাতে করে কেউ এই লিংকে ক্লিক করে প্রোডাক্ট ক্রয় করলে আপনি কিছু কমিশন পাবেন।

এছাড়াও নিজস্ব একটি ওয়েবসাইট থাকলে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজটি খুব সহজেই করা যায়। এক্ষেত্রে আপনি কমপ্লিটলি অটোমেটিকভাবে টাকা আয় করতে পারবেন।

স্পনসর্শিপ

আপনার ওয়েবসাইট যদি খুব বেশি পপুলার হয়ে থাকে এবং এতে যদি ভিজিটর এর পরিমাণ বৃদ্ধি পায়; তাহলে আপনি এই ওয়েবসাইটে স্পনসর্শিপ যুক্ত করতে পারেন।

অর্থাৎ এরকম অনেক ব্র্যান্ড কিংবা ইন্ডাস্ট্রিজ রয়েছে যারা ডিজিটাল প্রডাক্ট বিভিন্ন ওয়েবসাইটে দিয়ে থাকেন। তাদের ওয়েবসাইট কিংবা পণ্যকে প্রমোট করার জন্য এবং প্রতিদিনের জন্য নির্দিষ্ট কমিশন তারা আপনাকে দিয়ে দেয়।

ঠিক একই রকমভাবে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর সংখ্যা যদি বৃদ্ধি পায় এবং আপনার ওয়েব সাইটে প্রতিদিনই ইউনিক অর্গানিক ভিজিটরের আগমন ঘটে তাহলে আপনি স্পনসর্শিপ নিতে পারেন।

এবং যখনই আপনি স্পনসর্শিপ নামের একটি পেইজ আপনার ওয়েবসাইট ওপেন করবেন তখনই যে কেউ আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করার মাধ্যমে এই পেইজটি দেখবে এবং আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য কমিশন রেট অনুধাবন করতে পারবে।

এবং আপনার দেয়া স্পন্সরশীপের মূল্যতালিকা কারো যদি নজরে যায় এবং কেউ যদি এই সমস্ত মূল্য তালিকা দেখে এটা মনে করে যে আপনার ওয়েবসাইটে অ্যাডভার্টাইজমেন্ট দেয়া প্রয়োজন তাহলে আপনি সহজেই এর সুবিধাভোগী হতে পারবেন।

লিংক শর্টনার

লিংক শর্টনার হল এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনার অরিজিনাল লিংকে কিছুটা ছোট করে অন্যান্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন প্লাটফর্মে রি-ডাইরেক্ট করিয়ে তারপরে মেইন লক্ষ্যে পৌঁছানো হয়।

অর্থাৎ আপনি যদি যে কোন লিংককে শর্টনার করে ফেলেন তাহলে এই লিংকটি বিভিন্ন রকম অ্যাডভার্টাইজমেন্ট প্ল্যাটফর্মের প্রথমত ভিজিট করবে; এবং কোন ব্যক্তি যখন step-by-step কাজটি করতে পারবে তখনই সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।

আর আপনি যদি লিংক শর্টনার ব্যবহার করেন তাহলে বিভিন্ন রকমের প্ল্যাটফর্মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে পারেন এবং তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার লিংক শর্টনার করতে পারেন।

  1.  Linkvertise
  2. Shrinkearn.com
  3.  Shrinkme

এ সমস্ত ওয়েবসাইটে ভিজিট করার মাধ্যমে আপনি এখানে একটি প্রোফাইল তৈরি করে নেবেন এবং তারপরে আপনার যতগুলো লিংক তৈরী করা দরকার তথ্যগুলো লিংক আপনি এখান থেকে তৈরি করতে পারবেন।

সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো; এরকম অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যারা প্রতি 1000 ভিউতে আপনাকে কম করে হলেও 60 থেকে 70 ডলার দিয়ে দিতে পারে; যা নিঃসন্দেহে ভালো একটি ব্যাপার।

আরেক একটি ওয়েবসাইট থেকে আয় করার মত যে সমস্ত সেরা উপায় রয়েছে সে সমস্ত উপায়গুলো উপরে আলোচনা করা হল। আশা করি এগুলো আপনার উপকারে আসবে।

এন্ড্রয়েড ফোনের সেরা পাঁচটি সফটওয়্যার |

এন্ড্রয়েড ফোনের সেরা পাঁচটি সফটওয়্যার |

আপনার যদি একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে থাকে এবং এন্ড্রয়েড ফোনের মধ্যে আপনি যদি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সমস্ত অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডাউনলোড করে রেখে দিতে চান তাহলে এই পোষ্ট টি আপনার জন্য প্রযোজ্য।

আজকের এই পোস্টটিতে আলোচনা করা হবে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু সফটওয়্যার সম্পর্কে। যে সমস্ত সফটওয়্যার একজন এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারী হিসেবে আপনার ফোনে ইন্সটল করা বাধ্যতামূলক।

1Weather

আপনার আশেপাশের আবহাওয়া সংবাদ এবং পরবর্তী সময়ে আবহাওয়া কি রকম হতে পারে সেই সম্পর্কে আপনি যদি অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে জানতে চান; তাহলে 1Weather অ্যাপসটি একটি প্রয়োজনীয় এপস।

এই অ্যাপসটি হলো একটি ফ্রি অ্যাপস যার মাধ্যমে আপনি সর্বশেষ আবহাওয়ার সংবাদ সম্পর্কে অবহিত হতে পারবেন এবং পূর্বে থেকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে পারবেন।

মূলত আবহাওয়ার সংবাদ নোটিফিকেশন আকারে জানার জন্য এবং এই সংক্রান্ত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা উপভোগের জন্য অবশ্যই 1Weather অ্যাপসটি আপনার ফোনে ইন্সটল করে রেখে দিবেন।

Google Drive

অনলাইনে আপনি যদি একটি ফ্রি ষ্টোরেজের মাধ্যমে আপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জিনিস গুলো পুরোপুরি সুরক্ষিত রাখতে চান ; তাহলে Google Drive আপনার জন্য এক অনন্য অ্যাপস।

গুগোল ড্রাইভ এর মাধ্যমে আপনি ফ্রিতে প্রায় 15 জিবি স্টোরেজ পাবেন। যে স্টোরেজের মধ্যে আপনি চাইলে অডিও, ভিডিও, ফটো কিংবা যে কোন ডকুমেন্ট সুরক্ষিতভাবে রাখতে পারবেন।

এছাড়াও আপনার নির্দিষ্ট ডিভাইসে কোন একটি ফাইল রাখার ক্ষেত্রে আপনি যদি পুরোপুরি সুরক্ষিত অনুভব না করেন; তাহলে গুগোল ড্রাইভ আপনার জন্য এক বিশ্বস্ত সহযোগী।

গুগল ড্রাইভে যেকোন রকমের ডকুমেন্টস গুলো আপনার গুগল একাউন্টের মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকে। যাতে করে আপনি গুগোল একাউন্ট ইন্টার করার মাধ্যমে আপনার ডকুমেন্টগুলো যেকোনো ডিভাইসের মাধ্যমে এক্সেস নিতে পারবেন।

Lastpass

আপনার যেকোন অ্যাকাউন্ট এক সর্বোচ্চ নিরাপত্তা হল আপনার একাউন্টের পাসওয়ার্ড।
আর পাসওয়ার্ড মনে রাখার ক্ষেত্রে আমরা অনেকেই প্রায় ব্যর্থ বললেও ভুল হবে না।

অনেক সময় এ রকম দেখা যায় বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের পাসওয়ার্ডগুলো আমরা মনে রাখতে পারি না এবং যখনই আমরা কোন একটি প্লাটফর্মে লগইন করতে যাই, তখন পাসওয়ার্ড রিসেট করার মাধ্যমে লগইন এর কাজ সম্পাদন করতে হয়।

তবে বারবার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা বা এ সংক্রান্ত কাজগুলো যে কারো জন্য বিরক্তিকর হয়ে যেতে পারে।

আর এ কাজটি করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডে এরকম একটি অ্যাপস রয়েছে। যে অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি আপনার বিভিন্য প্ল্যাটফর্মের পাসওয়ার্ডগুলো স্টোরেজ করে রাখতে পারেন।

এছাড়াও আপনি এখানে যে সমস্ত পাসওয়ার্ডগুলো স্টোরেজ করে রাখবেন সে সমস্ত পাসওয়ার্ডগুলো পুরোপুরি সুরক্ষার সাথে এই অ্যাপসটিতে থাকবে।

আর আপনি যদি আপনার এন্ড্রয়েড ফোনে সমস্ত পাসওয়ার্ডগুলো সুরক্ষিতভাবে রাখতে চান তাহলে লাস্টপাস নামের যে সফটওয়্যার রয়েছে সেটি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ডাউনলোড করে রাখতে পারেন।

Touchtype swiftkey

আপনি যদি আপনার এন্ড্রয়েড ফোনের জন্য একটি সেরা কিবোর্ড এর অনুসন্ধান করে থাকেন তাহলে মাইক্রোসফ্ট সুইফট কী কীবোর্ড টি আপনার জন্য।

এই কিবোর্ড এর মাধ্যমে আপনি আপনার টাইপিং স্পিড বৃদ্ধি করতে পারবেন এছাড়াও বিভিন্ন রকমের ইমোজি এর সহযোগিতায় আপনার টাইপিং এর কাজ সম্পাদন করতে পারবেন।

মূলত এন্ড্রয়েড ফোনের সেরা যে সমস্ত কিবোর্ড রয়েছে, সে সমস্ত কিবোর্ড গুলোর মধ্যে থেকে এই কিবোর্ডটি একটি অনন্য জায়গা দখল করে রেখেছে। যা কম করে হলেও একবার ব্যবহার করে দেখা উচিত।

Nova Launcher

আপনার নির্দিষ্ট ডিভাইসের যে ডিফল্ট লাঞ্চার হয়েছে সে লঞ্চের টি ব্যবহার করতে করতে আপনি যদি বিরক্তি বোধ করেন, তাহলে নোভা লাঞ্চার আপনার জন্য যথেষ্ট।

এটি ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন রকমের ফিচারস উপভোগ করতে পারবেন এছাড়াও এ লঞ্চারটি একদম ফ্রিতে ব্যবহার করতে পারবেন।

আর তাই সর্বাধিক ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এবং এন্ড্রয়েড ফোন খুব ভালোভাবে মেনটেন করার জন্য আপনি যদি কোন রকমের লাঞ্চারের অনুসন্ধান করে থাকেন; তাহলে নোভা লাঞ্চার অবশ্যই একবার হলেও ব্যবহার করে দেখা উচিত।

আর এন্ড্রয়েড ফোনে ব্যবহার করার জন্য বাছাই করা যে সমস্ত সেরা এপস আপনার ফোনে ইন্সটল করা প্রয়োজন সেগুলো সম্পর্কে উপর আলোচনা করা হলো।

যে এন্ড্রয়েড সফটওয়্যারগুলো কম করে হলেও একবার আপনার ফোনে ব্যবহার করা উচিত।

একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে কি কি প্রয়োজন এবং কত টাকা খরচ হয়?

ওয়েবসাইট তৈরি

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করার চিন্তাভাবনা করছেন।

কিন্তু একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার চিন্তাভাবনা যখন আমাদের মধ্যে আসে তখনই আমাদের কাছে রীতিমতো একটা প্রশ্নই ঘুরপাক খায় আর সেটা হল একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে আসলে কি কি দরকার হয়? এবং একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে কত টাকা খরচ হয়?

আর আপনি যদি নতুন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান এবং এই ওয়েবসাইট তৈরি করার ক্ষেত্রে আপনার কত টাকা খরচ হবে এবং কি কি বিষয় বস্তুর প্রয়োজন হবে সে সম্পর্কে জানতে চান তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি দেখে নিন।

একটি ওয়েবসাইট কেন তৈরি করবেন?

আপনি যদি লেখালেখি করতে পছন্দ করেন কিংবা আপনি যদি মনে করেন আপনার মধ্যে যে কোনো রকমের একটি স্কিল রয়েছে, যা আপনি সবার কাছে শেয়ার করতে চান তাহলে আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

একটি ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করার মাধ্যমে, আপনি যে সমস্ত স্কিল ইতিমধ্যে কালেক্ট করে রেখেছেন সেগুলো আপনি অন্যান্যদের মাঝে শেয়ার করতে পারেন।

এছাড়াও আপনি যখনই খুব বেশি পরিমাণে লেখালেখি করবেন তখন আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। আর ভিজিটর এর পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথেই আপনি গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল নিতে পারবেন।

যখনই গুগোল অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভাল হয়ে যাবে তখন আপনি আপনার লেখা আর্টিকেল গুলোর মাধ্যমে খুব বেশি পরিমাণে টাকা আয় করতে পারবেন। এতে করে আপনার আর্টিকেল লেখার শখ পূরণ হবে এবং এরই পাশাপাশি আয় করতে পারবেন।

ওয়েবসাইট তৈরি করার কারণ জানার পরে এবার মুল টপিকে চলে আসা যাক। এবার জেনে নিন একটি সাইট তৈরি করতে কি কি প্রয়োজন হয় এবং কত টাকা খরচ হয়?

একটি প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন

ওয়েবসাইট তৈরি করার পূর্বে আপনাকে প্রথমত একটি প্লাটফর্ম নির্বাচন করতে হবে অর্থাৎ যে প্ল্যাটফর্মের অধীনে আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান।

একটি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য ইন্টারনেটের জগতে এরকম অনেক প্লাটফর্ম বিদ্যমান রয়েছে। এর মধ্যে থেকে অনেকগুলো প্লাটফর্মে আপনি ডোমেইন-হোষ্টিং ছাড়াই ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন এবং অনেক প্লাটফর্মে ডোমেইন-হোষ্টিং ক্রয় করে তৈরি করতে হবে।

আপনি যদি কোন রকমের ডোমেইন এবং হোস্টিং ক্রয় করা ছাড়াই একটি ফ্রি ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান তাহলে blogger.com সাইন আপ করে ওয়েবসাইট তৈরী করে নিন।

এছাড়াও আপনি যদি অ্যাডভান্স লেভেলের এসইও করার মাধ্যমে আপনার কনটেন্ট গড়ে তুলতে চান ; তাহলে wordpress.org এর মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

তবে আপনি যদি ইন্টারনেটের জগতে নতুন হয়ে থাকেন তাহলে blogger.com আপনার জন্য যথেষ্ট। এছাড়াও আপনি চাইলে wordpress.org আপনার বুকমার্কের লিস্টে রাখতে পারেন।

ডোমেইন নাম

আপনার ওয়েবসাইটের মূল সত্তা হল আপনার ওয়েবসাইটে ডোমেইন নাম।কারন যে কেউ আপনার ওয়েবসাইটকে মনে রাখবে আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন নামের মাধ্যমে।

এছাড়াও আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইট থেকে পুরোপুরি ইউজার ফ্রেন্ডলি করে গড়ে তুলতে চান এবং আপনার মনের মত করে যেকোনো একটি নামে ওয়েবসাইট কে সাজাতে চান তাহলে অবশ্যই রিলেটেড একটি ডোমেইন ক্রয় করতে হবে

আর একটি ডোমেইন নাম ক্রয় করার জন্য খরচ বাবদ 1000 টাকা বা তার চেয়েও কম আসতে পারে; তবে আপনি চাইলে কোন ডোমেইন ক্রয় করার ছাড়া ফ্রি সাবডোমেইনে দ্বারা তৈরি করতে পারেন।

তবে এ ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইট রেংকিং এ অনেকটা পিছিয়ে থাকার সম্ভাবনা থাকে। তাই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার পূর্বেই একটি ডোমেইন ক্রয় করে নেয়া ভালো ; যা আপনার রেংকিং এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এছাড়াও আপনি যদি ডোমেইন সম্পর্কে তেমন একটি ধারণা রাখেন; তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা আরেকটি আর্টিকেল এর মাধ্যমে ডোমেইন নাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারেন।

Read Now 

উপরে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী আগে ডোমেইন নেমটি ভালোভাবে রিসার্চ করে নিন এবং তারপরে আপনার পছন্দ অনুসারে ভালো এবং বিশ্বস্ত কোম্পানি থেকে একটি ডোমেইন নাম ক্রয় করুন।

হোস্টিং ক্রয়

আপনি যদি blogger.com একটি সাইট তৈরি করেন তাহলে শুধুমাত্র ডোমেইন ক্রয় করলেই আপনি আপনার ওয়েবসাইট ইন্টারনেটে রান করাতে পারবেন। কারণ ব্লগারে আনলিমিটেড হোস্টিং স্পেস গুগল দিয়ে থাকে।

তবে আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেসে একটি সাইট তৈরি করেন তাহলে আপনার নিজের থেকেই একটি হোস্টিং প্ল্যান করে করতে হবে; হোস্টিং প্ল্যান করার পূর্বে আপনাকে অনেকগুলো বিষয় মাথায় রাখতে হয়।

হোস্টিং সম্পর্কে আপনার যদি কোন রকমের ধারণা না থাকে এবং হোস্টিং ক্রয় করার পূর্বে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হয় সেই সম্পর্কেও যদি ধারনা না থাকলে তাহলে নিম্নলিখিত আর্টিকেলটি দেখুন।

Read Now

উপরে উল্লেখিত আর্টিকেল এর মাধ্যমে আপনি হোস্টিং ক্রয় করার পূর্বে যে সমস্ত বিষয় গুলো নজর দিবেন সে সমস্ত বিষয়গুলি সম্পর্কে জানতে পারবেন।

মূলত একটি ভালো হোস্টিং প্লান ক্রয় করার ক্ষেত্রে প্রতি বছরের জন্য সর্বনিম্ন 2 থেকে 3 হাজার টাকা আপনাকে ইনভেস্ট করতে হবে। তবে আপনার হোস্টিং এর সাইজ এবং স্টোরেজের পরিমাণ অনুসারে টাকার পরিমাণ কমবেশি হতে পারে।

তবে হোস্টিং ক্রয় করার ক্ষেত্রে সস্তা কোম্পানি এড়িয়ে চলুন; এরকম অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার রয়েছে যারা আপনাকে একদম সুলভ মূল্যে হোস্টিং দিয়ে থাকবে। আর সেই সমস্ত প্রোভাইডার এর কাছ থেকে হোস্টিং ক্রয় করার পূর্বে তাদেরকে ভালোভাবে বিবেচনা করে নিন।

ওয়েবসাইট ইন্সটল এবং ডিজাইন

কিভাবে যে কোন প্লাটফর্মে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে এই ওয়েবসাইট থেকে ইন্সটল এবং ডিজাইন করা যায় সেই কাজটি করার জন্য আপনি চাইলে ডেভলপার নিয়োগ করতে পারেন।

এছাড়াও আপনি যদি খুবই তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন হয়ে থাকে, তাহলে ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও দেখার মাধ্যমে আপনি ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট এবং ইন্সটল এর কাজ সহজে সম্পাদন করতে পারবেন।

ইউটিউব এর মাধ্যমে আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটের ডেভেলপমেন্ট এবং ডিজাইন এর কাজ সম্পাদন করতে চান তাহলে প্রথমত আপনাকে ওয়েবসাইটের সমস্যার কথা চিন্তা করতে হবে এবং তার পরে এই সমস্যাটি ইউটিউবে সার্চ করার মাধ্যমে সমাধান নিতে হবে।

ওয়েবসাইট তৈরি করতে পরিপূর্ণ খরচ

একটি সাইট তৈরি করতে পরিপূর্ণ খরচ বাবদ আপনাকে পাঁচ হাজার টাকা থেকে শুরু করে 30 হাজার টাকার মতো খরচ হয়ে যেতে পারে; টাকা খরচ হওয়ার পরিমাণ কমবেশি হবে আপনার প্রয়োজনের উপর।

অর্থাৎ আপনি যদি ওয়েবসাইট ডিজাইন কাস্টমাইজ করতে ডেভলপার নিয়োগ দেন তাহলে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে বেশি পরিমাণে টাকা খরচ হবে; অন্যতায় স্বল্প টাকায় এই কাজটি করা সম্ভব।

আর্টিকেল এর অন পেজ এসইও এর কাজ করুন এই টুলস এর সাহায্যে |

অন পেজ এসইও

আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা প্রত্যেকটি কনটেন্টকে পুরোপুরি এসইও ফ্রেন্ডলি এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি করে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন ফ্রী টুলস ইন্টারনেটের জগতে বিদ্যমান রয়েছে।

এই সমস্ত ফ্রী টুলস গুলো মাধ্যমে আপনি আপনার কনটেন্ট এর অন পেজ এসইও এর কাজ খুবই সহজে করতে পারেন; যাতে করে রেংকিং এর ক্ষেত্রে আপনার আর্টিকেলটি ভালো পারফরম্যান্স করতে পারে।

আর এই পোস্টটিতে আলোচনা করা হবে আপনার আর্টিকেল এর অন পেজ এসইও এর কাজ করার জন্য যে সমস্ত ফ্রী টুলস বিদ্যমান রয়েছে সে সমস্ত ফ্রী টুলস সম্পর্কে।

Plagiarism Checker

আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা কোন আর্টিকেল এর মধ্যে কপিরাইট সংক্রান্ত বিষয়াদি রয়েছে কিনা সেই বিষয়টিকে আপনি প্লাগারিজম চেকার টুলস এর মাধ্যমে দেখে নিতে পারেন।

যেকোনো একটি প্লাগারিজম চেকার টুলস এর মধ্যে যখনই আপনি আপনার কনটেন্ট পেস্ট করে দিবেন; তখনই আপনার কনটেন্ট এর মধ্যে কতগুলো কপিরাইট ইস্যু রয়েছে সেগুলো দেখে নিতে পারবেন।

আর আপনি যদি আপনার আর্টিকেল এর প্লেগারিজম চেক করতে চান আর এই প্লাগারিজম চেক করার মত ফ্রী টুলস এর অনুসন্ধান করে থাকেন; তাহলে নিচে উল্লেখিত ফ্রী টুল ব্যবহার করতে পারেন।

  1. DupliChecker
  2. Paperrater
  3. Plagiarisma

উপরে উল্লেখিত প্রত্যেকটি প্লেগারিজম চেকার টুলস একদম ফ্রিতে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন; তবে ফ্রিতে এই টুলস গুলো ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কিছু লিমিটেশন অবশ্যই থাকবে।

Grammar Checker

আপনি যদি ইংরেজিতে কনটেন্ট পাবলিশ করেন, তাহলে এই সমস্ত কনটেন্টগুলো গ্রামাটিক্যাল মিসটেক সমাধান করার জন্য বিভিন্ন ফ্রী টুলস ব্যবহার করতে পারেন।

আপনার পাবলিশ করা আর্টিকেল এর সমস্ত গ্রামাটিক্যাল মিস্টেক চেক করার জন্য যে সমস্ত ফ্রী অ্যাপস কিংবা টুলস রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে থেকে গ্রামারলি অ্যাপস টি খুবই প্রয়োজনীয়।

আপনি যদি ডেক্সটপ কিংবা পিসি থেকে থাকে তাহলে আপনি গ্রামারলি অ্যাপসটির গুগল ক্রোম এক্সটেনশন আপনার পিসিতে ইন্সটল করে রাখতে পারেন। যাদের করে প্রত্যেকটি আর্টিকেল অটোমেটিকলি গ্রামাটিক্যাল এরর থেকে মুক্ত হতে পারে।

Grammarly Extention

উপরে উল্লেখিত লিংকে ভিজিট করার মাধ্যমে আপনি গ্রামারলি গুগল ক্রোম এক্সটেনশন রয়েছে, সেটি গুগল ক্রোমে ইন্সটল করে রেখে দিতে পারবেন এবং একাউন্ট তৈরি করার মাধ্যমে ফ্রিতে এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

Image Compressor

আপনার পাবলিশ করা আর্টিকেল এর মধ্যে আপনি যে সমস্ত ইমেজ ব্যবহার করবেন, সে সমস্ত ইমেজগুলো আপনার ওয়েবসাইটের লোডিং স্পীড এর ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

তবে আপনি যদি ইমেজ কম্প্রেশ্বর নামের যে সমস্ত টুলস রয়েছে সেগুলো দিয়ে আপনার ব্যবহৃত ইমেজের সাইজ কমিয়ে আনেন, তাহলে এগুলো লোডিং স্পিডে কোনরকমে বিরূপ প্রভাব ফেলবে না।

ইন্টারনেটের জগতে যে সমস্ত ফ্রী ইমেজ কম্প্রেশ্বর টুলস রয়েছে সে সমস্ত টুলস গুলোর মধ্যে থেকে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি টুলস এর লিংক নিচে দেয়া হল যেগুলো আপনি ব্যবহার করতে পারেন।

JPEG Optimizer

Optimizilla

ImageRecycle

Article length

আপনার ওয়েব সাইটে আপনি যে আর্টিকেল পাবলিশ করবেন, সেই আর্টিকেল ওয়ার্ড সংখ্যা কতটুকু হয়েছে কিংবা এর এর মধ্যে আপনি কতটি প্যারাগ্রাফ যুক্ত করেছেন, সেই সম্পর্কে একটি টুলস এর মাধ্যমে জেনে নিতে পারেন।

আপনার পাবলিশ করা আর্টিকেল এর মধ্যে কতগুলো ওয়ার্ড যুক্ত করেছে, সেই সম্পর্কে আপনি যদি নিম্নলিখিত ফ্রী টুলস টি ব্যবহার করতে পারেন।

Visit and check

উপরে উল্লেখিত ফ্রী টুলস এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই যে কোনো রকমের আর্টিকেল এর প্যারাগ্রাফ এবং ওয়ার্ড সংখ্যা দেখে নিতে পারবেন।

আর উপরে উল্লেখিত টুলসগুলো সহযোগিতায় আপনি আপনার যে কোন আর্টিকেল এর অন পেজ এসইও এর কাজ সহজেই করে ফেলতে পারবেন; তাহলে আর দেরি না করে এখুনি উপরে উল্লেখিত ফ্রী টুলস গুলো ব্যবহার করুন।