ব্লগ কনটেন্ট আইডিয়া জেনারেট করতে পারছেন না? পোস্টটি দেখুন

আমাদের মধ্যে প্রায় সকল ব্লগারই তাদের ব্লগ সাইটে পোস্ট লেখার পূর্বে, কি নিয়ে লেখা যায় এটা নিয়ে ভাবতে ভাবতে অনেক সময় অতিবাহিত করে ফেলেন।

ব্যাপারটা এরকম যে আমরা কোন একটি আর্টিকেল লেখার পূর্বে কোন টপিক নিয়ে আর্টিকেল লেখা যায় এসমস্ত টপিক নির্বাচন করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে যায়।

অনেক সময় আবার দেখা যায় ব্লগার পোস্ট লেখার জন্য আমরা কোন রকমের টপিক খুঁজে পাইনা। আর যারা একটি আর্টিকেল লেখার পূর্বে কোন টপিক খুঁজে পান না তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট টি খুবই উপকারে আসবে।

এই আর্টিকেলের মধ্যে আলোচনা করা হবে কিভাবে আপনি খুব সহজেই বিভিন্ন টপিক খুঁজে পাবেন আপনার ওয়েবসাইটে কনটেন্ট পাবলিশ করার জন্য।

ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস

ইন্টারনেটের জগতে এরকম অনেক ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস রয়েছে যে সমস্ত কিওয়ার্ড রিসার্চ টুলস এর মাধ্যমে আপনি কন্টেন্ট আইডিয়া জেনারেট করতে পারবেন।

এই সমস্ত ফ্রী কীওয়ার্ড রিসার্চ টুলস এর মধ্যে যখনই আপনি আপনার নির্দিষ্ট নিস এর কথা উল্লেখ করে দিবেন এবং টার্গেটেড কান্ট্রি সিলেক্ট করে নিবেন; তখনই আপনি ওই রিলেটেড অনেকগুলো টপিক পেয়ে যাবেন।

আর একদম বিনামূল্যে প্রতিটি নিস এর জন্য কয়েক হাজার কিওয়ার্ড আইডিয়া জেনারেট করার মতো যে সমস্ত ফ্রী টুলস বিদ্যমান রয়েছে সেগুলোর মধ্যে থেকে উল্লেখযোগ্য একটি টুলস এর লিংক নিচে দেয়া হল।

keywordtool.io

উপরে উল্লেখিত লিংকে ভিজিট করার পরে যখনই আপনি এখানে থাকা বক্সটিতে আপনার নিস এর কথা উল্লেখ করে দিবেন; তখনই ওই রিলেটেড অনেক কিওয়ার্ড আইডিয়া পেয়ে যাবেন।

এছাড়াও এই টুলসটি গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার মতো রেজাল্ট দিয়ে থাকে।যা একজন নতুন ব্লগার হিসেবে আপনার খুবই প্রয়োজন এ আসবে।

তবে ফ্রি মুডে আপনি এই টুলসটি তে পুরোপুরি এক্সেস না পেলেও প্রায় সমস্ত কি ওয়ার্ড লিস্ট পেয়ে যেতে পারেন।

আপনি যদি কিওয়ার্ডের সার্চ ভলিয়ম, সিপিসি কিংবা অন্যান্য বিষয়গুলোও দেখতে চান তাহলে আপনাকে এই পোস্ট পেইড ভার্সন ক্রয় করে নিতে হবে। তবে শুধুমাত্র কন্টেন্ট আইডিয়া জেনারেট করার জন্য এই টুলসটি ফ্রী ভার্শন ই যথেষ্ট।

বিভিন্ন ফোরাম সাইট

ইন্টারনেটের জগতে এরকম অনেক ফোরাম সাইট রয়েছে অর্থাৎ এরকম অনেক কোয়েশ্চন আনসারিং সাইট রয়েছে যে সমস্ত ওয়েবসাইটগুলো থেকে আপনি প্রতিদিন কয়েক লক্ষাধিক কন্টেন্ট আইডিয়া জেনারেট করতে পারেন।

এই সমস্ত কোশ্চেন অ্যানসারিং ওয়েব সাইটে বিভিন্ন ব্যবহারকারীরা প্রতিনিয়তই তাদের সমস্যা গুলোর কথা তুলে ধরেন; এবং এই সমস্যাগুলি হতে পারে আপনার ব্লগ পোষ্ট লেখার অন্যতম টপিক।

এছাড়াও আপনি যদি ঐ সমস্ত সমস্যাগুলো নিয়ে আপনার ব্লগার ওয়েবসাইট একটি আর্টিকেল পাবলিশ করেন এবং তারপরে ওই আর্টিকেল এর লিংক আপনি তাদেরকে দিয়ে দেন তাহলে ওয়েবসাইটের জন্য এক্সট্রা ট্রাফিক পাবেন।

আর সবচেয়ে সেরা কয়েকটি question-answer ওয়েব সাইটের মধ্যে থেকে কিছু সংখ্যক ওয়েবসাইটের লিংক নিচে দেয়া হল। এই সমস্ত ওয়েবসাইটগুলোতে রেগুলার ভিজিট করার মাধ্যমে আপনি কন্টেন্ট আইডিয়া জেনারেট করতে পারবেন।

Answerbag

Yahoo! Answers

Blurt it

সংবাদপত্র পড়া

রেগুলার নিউজ পেপার পড়ার মাধ্যমে আপনি কনটেন্ট আইডিয়া জেনারেট করতে পারেন। কারণ সংবাদপত্রগুলোতে প্রায় প্রতিদিনই এরকম অনেক ট্রেন্ডিং বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয় যেগুলো আপনার আর্টিকেল লেখার টপিক হতে পারে।

এছাড়াও আপনি চাইলে বিভিন্ন জনপ্রিয় ম্যাগাজিন কিংবা টিভি পোর্টাল দেখার মাধ্যমে রেগুলার কন্টেন্ট আইডিয়া জেনারেট করতে পারেন।

গুগল অটো কমপ্লিট

গুগলের সার্চ করার ফিচারস এর মধ্যে যে অটো কমপ্লিট ফিচারস রয়েছে সেই auto-complete এর মাধ্যমে আপনি নিয়মিত প্রচুর পরিমাণে কনটেন্ট আইডিয়া জেনারেট করতে পারেন।

এই কাজটি করার জন্য যখনই আপনি গুগল সার্চ বারে গিয়ে কোন একটি কিওয়ার্ড সার্চ করবেন; তখনই আপনি ওই কিওয়ার্ডের নিচে অনেকগুলো auto-complete কিওয়ার্ড আইডিয়া পেয়ে যাবেন।

এবং এই সমস্ত auto-complete কিওয়ার্ড নিয়ে আপনি চাইলে রেগুলার আর্টিকেল পাবলিশ করতে পারেন; এছাড়াও আপনি চাইলে কোন একটি কিওয়ার্ড সার্চ করার পরে “People also ask” অপশনটি থেকে কিওয়ার্ড আইডিয়া বেছে নিতে পারবেন।

আর উপরে উল্লেখিত চারটি উপায় এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশ করার মত টপিক খুঁজে পাবেন; আশা করি এই গাইডলাইন আপনার উপকারে আসবে।

কিভাবে একটি কনটেন্ট লিখবেন যা যে কেউ পড়তে চাইবে?

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা তাদের ওয়েবসাইটে একটি আর্টিকেল পাবলিশ করার পরেই আর্টিকেল তাদের ওয়েবসাইট এর মধ্যেই বিদ্যমান থাকে।

অর্থাৎ তারা এমন একটি আর্টিকেল পাবলিশ করেন যে আর্টিকেলটি কেউই পড়তে চায় না এবং এই আর্টিকেলটি একেবারে জিরো ট্রাফিক নিয়ে হতাশার সাগরে হাবুডুবু খায়।মূলত আর্টিকেল নয় আপনি হতাশার সাগরে ভেসে যান।

এই ব্যাপারটা হওয়া স্বাভাবিক; কারন একটি আর্টিকেল লিখতে প্রচুর পরিমাণে কষ্ট করতে হয়। আর যখন প্রচুর পরিমাণে কষ্ট করার পরেও এই আর্টিকেলটি কেউ পড়তে চায় না তখন মন খারাপ হওয়াটাই স্বাভাবিক।

আর এই আর্টিকেলটি শুধুমাত্র আপনার ওয়েবসাইটে সীমাবদ্ধ থাকার মূল কারনই হলেন আপনি। কারণ আপনি এই আর্টিকেলটি এমন ভাবে পাবলিশ করেছেন যাতে করে এটি কেউ পড়তে চায় না।

আর্টিকেল পাবলিশ করার পূর্বে আপনি যদি এটিকে পুরোপুরি রিডার ফ্রেন্ডলি করে তুলতেন; তাহলে যে কেউ এটি পড়তে চাইতো এবং এই আর্টিকেল লেখাটা সার্থক হত।

আর আজকের এই পোস্টটিতে আলোচনা করা হবে কিভাবে আপনি একটি আর্টিকেল লিখবেন যে আর্টিকেলটি যে কেউ পড়তে চাইবে এবং এটি আর্টিকেল হিসেবে সার্থক হবে।

ছোট প্যারাগ্রাফ

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা একটি আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে কম করে হলেও ৮-১০ লাইনের একটি প্যারাগ্রাফ দিয়ে দেন; যা যেকোনো রিডার এর জন্য ওভার ওয়ার্মিং বটে।

কারণ একজন রিডার হিসেবে কেউ কখনই দশ থেকে বারো লাইনের কোন প্যারাগ্রাফ পরতে চাইবে না। এ সমস্ত বড়-সড় প্যারাগ্রাফ
যে কেউ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবে।

কিন্তু আপনি যদি এই প্যারাগ্রাফ এর সীমা কমিয়ে আনেন, তাহলে এটি পুরোপুরি ইউজার ফ্রেন্ডলি হবে এবং যে কেউ এ প্যারাগ্রাফ টি পড়ার চেষ্টা করবে। এছাড়াও আপনার আর্টিকেলটি একদম শেষ অব্দি পড়ার চেষ্টা করবে।

সেজন্য যখনই আপনি একটি আর্টিকেল আপনার ওয়েবসাইটে পাবলিশ করবেন ; তখন ওই আর্টিকেল এর মধ্যে যে প্যারাগ্রাফ রয়েছে সে সমস্ত প্যারাগ্রাফ এর লেন্থ কমিয়ে আনুন।

সবসময়ই চেষ্টা করুন আপনার ওয়েবসাইটে যে সমস্ত প্যারাগ্রাফ থাকবে সে সমস্ত প্যারাগ্রাফ লিমিট খুব বেশি হলে তিন থেকে চার লাইনের বেশি যাতে না হয়; এটা আপনার রিডারদের ভালো ইউজার এক্সপেরিয়েন্স দেবে।

ইমেজ এবং ইনফোগ্রাফিক যুক্ত করা

আপনি কি এ সম্পর্কে জানেন যে একটি মাত্র ইমেজ প্রায় 1000 শব্দের কথা বলে?  ব্যাপারটা আসলেই তাই। আপনি যদি আপনার কনটেন্ট এর মধ্যে রিলেটেড ইমেজ যুক্ত করেন তাহলে এটি 1000 শব্দের কথা বলতে পারে।

তবে ইমেজ যুক্ত করার ক্ষেত্রে অবশ্যই রিলেটেড ইমেজ যুক্ত করবেন। কারণ রিলেটেড যদি না হয় তাহলে এটি যে কারো জন্য অভার ওয়ার্মিং হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও আপনি চাইলে ইনফোগ্রাফিক্স তৈরি করতে পারেন।

চেষ্টা করুন আপনার কনটেন্ট এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি ভিডিও আপলোড দেয়ার। যাতে করে আপনার কনটেন্ট যে কোনো ব্যবহারকারী সহজেই বুঝে ফেলতে পারে।

এছাড়াও ব্যবহারকারীরা যাতে অডিও ফরমেটে আপনার কনটেন্ট না পড়েও শুনতে পারে সেই ব্যবস্থাও আপনি চাইলে করতে পারেন; এক্ষেত্রে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর একটি প্লাগিন ইন্সটল করার মাধ্যমেই কাজটি করতে পারেন।

কনটেন্ট এর মধ্যে ভিডিও অডিও যুক্ত করতে আপনি ব্যর্থ হলেও শুধুমাত্র আপনার আর্টিকেল রিলেটেড ইমেজ এবং ইনফোগ্রাফিক্স যুক্ত করার মাধ্যমে আপনি আপনার রিডারদের বেশিক্ষণ ধরে আঁকড়ে রাখতে পারবেন।

তবে যেকোনো ইমেজ যুক্ত করার পূর্বে অবশ্যই এই ইমেজটি কে ভালোভাবে রিসার্চ করে নিবেন এবং কপিরাইট ফ্রি ইমেজ যুক্ত করার চেষ্টা করবেন।

আকর্ষণীয় টাইটেল

যখনই আপনার কোন আর্টিকেল সার্চ ইঞ্জিনের রেংক করে, তখন যে কেউ এই আর্টিকেলের মধ্যে ক্লিক করবে কিনা সেটার সর্বাপেক্ষা নির্ভর করে আপনার কনটেন্ট এর টাইটেল এর উপর।

যদি আপনার কনটেন্ট এর টাইটেল আকর্ষনীয় হয়ে থাকে; তাহলে যে কেউ এই আকর্ষণীয় টাইটেলের উপরে ক্লিক করে আপনার আর্টিকেলটি পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করবে।

এছাড়াও আপনার লেখা আর্টিকেল টাইটেল যদি আকর্ষণীয় না হয় তাহলে কনটেন্ট যতই আকর্ষণীয় হোক না কেন কেউই টাইটেলের উপরে ক্লিক করবে না। এবং আপনার আকর্ষণীয় আর্টিকেল পড়তে চাইবে না।

আর তাই যখন একটি আর্টিকেল লিখবেন তখন সর্বাপেক্ষা চেষ্টা করবেন আপনার লেখা আর্টিকেল এর টাইটেল পুরোপুরি আকর্ষণীয় করে গড়ে তুলতে। যাতে করে যে কেউ টাইটেলের উপরে ক্লিক করে।

তাছাড়াও আপনার আর্টিকেল এর টাইটেলের উপরে ক্লিক যদি বৃদ্ধি পায় তাহলে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবসাইটে রেংকিং বৃদ্ধি পাবে; আর রেংকিং বৃদ্ধি পেলে আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বৃদ্ধি পাবে।

আর্টিকেল রিডারদের ফ্রিতে কিছু প্রোভাইড করুন

যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে আপনি আপনার যে সমস্ত কনটেন্ট রিডার রয়েছে তাদেরকে ফ্রীতে কিছু দিতে পারেন; এতে করে যে কেউ আপনার কনটেন্ট পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করবে।

চাইলে আপনার কনটেন্ট এর মধ্যে বিভিন্ন রিলেটেড প্রোডাক্ট ফ্রিতে দিতে পারেন ; সেটা হতে পারে কোন ই-বুক অথবা আপনার আর্টিকেল রিলেটেড অন্যকোন বিষয়াদি।

এছাড়াও যখনই আপনি আপনার আর্টিকেল রিডারদের কোন কিছু ফ্রিতে দিবেন তখন চেষ্টা করুন ই-মেইল কালেক্ট করার।  যাতে করে পরবর্তী সময়ে আপনি যদি কোন আর্টিকেল পাবলিশ করেন এবং এরকম কোন ফ্রি অফার দিয়ে থাকেন তাহলে ইমেইলের মাধ্যমে তাদেরকে এই বিষয়টি জানাতে পারেন।

এতে করে আপনার পরবর্তী আর্টিকেলে ভিজিটরেরা সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং যখন আপনার ওয়েবসাইটে কনটেন্ট এর ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে; তখন আপনার ওয়েবসাইটের আর্নিং বৃদ্ধি পাবে।

প্রমাণ যুক্ত করুন

যখনই আপনি কোন একটা আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখন এই আর্টিকেলের একদম সর্বশেষে কিংবা আর্টিকেল এর মধ্যে কোন একটি জায়গায় আর্টিকেল রিলেটেড একটি প্রমাণ যুক্ত করতে পারেন।

অর্থাৎ আপনার লেখা আর্টিকেল এর মাধ্যমে যে কেউ উপকৃত হয়েছে কিংবা আপনি এই আর্টিকেলটি আপনার নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করার মাধ্যমে উপকৃত হয়েছেন সেটি তাদের সামনে তুলে ধরুন।

এবং এই কাজটি যখন আপনি সফলভাবে করতে পারবেন তখন দেখবেন আপনার আর্টিকেলটি যে কেউ খুব বেশি সময় ধরে পরতে চাইবে। এতে করে আপনার আর্টিকেল ডিউরেশন টাইম বৃদ্ধি পাবে।

ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করবেন?

আমাদের মধ্যে যে বা যারা মুক্তপেশার সাথে সম্পৃক্ত হতে চান তাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং এক বিস্ময়কর যাত্রা। যেখান থেকে …

Read more

ফেসবুক একাউন্ট সুরক্ষিত রাখার পাঁচটি টিপস |

বর্তমান সময়ে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন খুব বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পাচ্ছে; ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে …

Read more

ডোমেইন নাম ক্রয় করার আগে অবশ্য পালনীয় কিছু বিষয় |

ডোমেইন নাম ক্রয়

আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন ক্রয় করতে চান; তাহলে ওই ডোমেইন ক্রয় করার ক্ষেত্রে আপনাকে অনেকগুলো …

Read more